January 18, 2015

নগর না দেবালয় ২



আবার সেই কফির কাপের গল্পে আসি। তারা এখনো সবাই কফির কাপে ঝড় তুলেই যাচ্ছেন। কেউ বা সুশীল সেজে সামাজিক মিডিয়ায় স্ট্যাটাস ভারী করছেন। আবার কেউবা কাউকে উস্কানি মূলক বক্তব্য দিচ্ছেন। তাতে কি লাভ হচ্ছে? যদি লাভ হতো তবে রতন মিয়াঁর চিৎকার আপনার কানে বাজত "ভাই আগায় আসেন ভাই, আগুন নিভান ভাই, কিস্তিতে কেনা ট্রাক, কষ্টে কেনা ট্রাক ভাই, এই ট্রাক পুড়ে গেলে পথে বসতে হবে ভাই"। এটাই বাস্তবতা। বলবেন হয়তো কেন রতন মিয়া বের হচ্ছে রাস্তায় ট্রাক নিয়ে! আপনি বা আমার মত দল্ভক্ত ভানকারীরা বলতেই পারি এসব। লোকটার পেট বা তার পরিবারের সদস্যদের পেটতো সব শুনবে না!


গতকাল কিছু শিক্ষিত (কাগজে কলমে) লোকের সাথে একবেলা আহারের সুযোগ হয়েছে। এখানে দেখলাম তারা এই পুড়িয়ে মারা আন্দোলনকে খুব সমর্থন দিচ্ছেন। বসে শুনছিলাম, অনেকসময় যাবত। কিন্তু শেষপর্যন্ত নিজেকে সামলাতে পারিনি। জিজ্ঞাসা ছিল আপনি ক্ষমতায় যাবার জন্য আম জনতা পুড়াচ্ছেন কেন? আপনার পরিবারের কেউ কি আজ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে? তারা কিছু বললেন না বা একজন আরেকজনের মুখচাওয়াচাওয়ি করছিলেন। আর আমায় সরকারপক্ষ বানিয়ে তুলোধুনোর চেষ্টাও করলেন। একজন শিক্ষিত লোক কি করে এই বর্বরতাকে সমর্থন করেন?


আজ দেখলাম পুলিশের গাড়িতে পেট্রোলবোমায় আমার এলাকার এক কনস্টেবল মারাগেছেন। আমরা একই গ্রামের নই কিন্তু একই ইউনিয়নের। দেখে আমার সকাল থেকে মন খারাপ লাগল। কনস্টেবলের উর্দিটা খুললেই তো সে আর পুলিশ না। সে আমার আপনার মত মানুষ।

আজ দেখলাম একজন তার লেখায় লিখেছেন "দেশকে স্বাধীন করছেন তাঁরা। এই আন্দোলন স্বাধীনতার আন্দোলন।" কিন্তু কার কাছ থেকে? তাদের সাথে আছে স্বাধীনতা বিরুদ্ধ শক্তি। আর তাদের দিয়েই তাঁরা দেশ স্বাধীন করছেন! আমাদের এই দুষ্ট রাজনৈতিক দেবতাদের কবলথেকে মুক্তিপাব আমরা কবে?

January 14, 2015

নগর না দেবালয়?

অনেক দিনের পুরাতন অভ্যাস। পত্রিকায়  চোখ বুলানো। আগে পত্রিকা হাতে নিয়ে প্রথমে খেলার খবরে চোখবুলানো। এখন দেশের বাহিরে আসার পর অন্তত একটা ভাল খবর খুঁজি। বেশীরভাগ দিন কিছু পাই না। সব সময় হতাশার খবর পাই। এসব কিছুই আমাদের গা সওয়া হয়ে গেছে। একদিকে কক্টেল ফুটছে অন্যদিকে আমরা ফুটবল খেলছি। ব্যপারটা আসলে ফুটবল না, শব্দটা হবে গলফ। যারা কিছু করলে দেশের পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটতে পারে তারা অবসর সময়টা গলফ খেলে কাটানোয় ব্যস্ত থাকেন। আমার শুরু করটা দেখে অনেকেই হয়তো খেপে উঠতে পারেন। 


আজ পত্রিকায় যে খবরটি দেখে আরও একটু হতাশ হলাম তা হচ্ছে বাসে পেট্রল বোমায় ৪ জন পুড়ে মারা গেছেন। তার মাঝে শিশুও আছে। অনেকেই এটা দেখে হয়তো বলবেন "নগর পুড়লে কি দেবালয় রক্ষা পায়?" সমস্যা হচ্ছে ঠিকই নগর পুড়ছে কিন্তু তা পুড়ছে আমজনতার। যারা আলু সেদ্ধ খাওয়ার তারা চুপচাপ ঘরে বসে ঠিকই তা খাচ্ছেন। সবচাইতে বড় সমস্যা হল রাজনীতির  রাজারা তাদের নিয়েই ব্যাস্ত। আর আমাদের আবেগ নিয়ে খেলছেন তারা। কোনকোনদিন তারা ভান করেন ত্রাতার। কিন্তু আসলে কি তারা? 

এভাবে আর কত পুড়বে জীবন এমন ভাবে? 

January 07, 2015

গ তে গনতন্ত্র...



বাংলাদেশ মানচিত্রের আকারে খুব ছোট। কিন্তু অনেক তুলনার আকারেই বড় বা দিন দিন বাড়ছে। এর বেশিরভাগ ব্যক্তিগত প্রচেষ্টার সফলতা।  কিন্তু তার সাথে পাল্লাদিয়ে বাড়ছে আমাদের গণতন্ত্রের আকার। যেখানে গন শব্দটার উপস্থিতি প্রায় নেই বলোলেই চলে। প্রতিটি দিন শুরু হয় অন্যের গোত্র উদ্ধারের মাধ্যমে। প্রধান দল গুলীর কেউ এখনো দেশের কোন কিছুতেই একমত হয়ে সহাবস্থান করার মত মানসিকতায় পৌঁছাতে পারেন নি। 

সংসদ ভিত্তিক সরকার চালু হল প্রায় ২৪ বছর হয়েগেলো। অথচ কার্যকারিতা বলতে যা বোঝায় তার লক্ষণ দেখ যায় নি। ৪ টি পুর্নাঙ্গ সংসদের কোনটিতেই আমরা দেখিনি সরকারদল ও বিরোধী দলীয় সাংসদগন কে একসাথে বসতে। সবাই সাংসদ পদবী টিকিয়ে রাখার জন্যই শুধু মাত্র সংসদে আসতেন। এর মাঝে ৩ মাসের অতিথি সরকার দারা নির্বাচন নিয়ে হাঙ্গামা কম হয়নি। আমাদের গনতন্ত্রের বয়েস হিসেব করলে এখনো শিশু। তাকে বাড়তে না দিয়ে আমরা তিলে তিলে মারার পর্যায়ে নিচ্ছি। প্রধান বিরোধী দলে যিনি থাকুন না কেন তিনি সংসদে কথা বলার চাইতে বাহিরে বলতেই স্বচ্ছন্দবোধ করেন। সকল কিছুতেই জুজু বুড়ির ভয় দেখাতেও কেউ কম যান না। কিন্তু জুজু বুড়ির ভাল দিকটায় কেউ তাকান না।  

তাছাড়া ৪৩ বছর পর এখনো দেশে রাজনীতির ধারা নির্ধারনে ভূমিকা রাখে স্বাধীনতা বিরদ্ধবাদী শক্তি। আর তাদের সাথে জড়িয়ে একটা অংশ ইতিহাসকে কলুষিত করছেন। যারা স্বাধীনতার সাথে জড়িত তাদের ৪৩ বছর পর এসে কেউ বা বিভিন্ন বিশেষণে ভূষিত করছেন এবং তাতে নিজেরাই বিতর্কিত হচ্ছেন। দুঃখের বিষয় হল তার এই অ-গবেশনার সাথে যারা তাল মেলাচ্ছেন তারাও ইতিহাসকে বিকৃত করা ছাড়া তেমন কিছুই করছেন না। আমরা কিভাবে বাংলাদেশের ব্যপারে করতে পারি??? 






March 07, 2014

রাত ঘুম/নির্ঘুম

ছবি দুটি মাসাচুচেটস অঙ্গ রাজ্যের মল্ডেন শহরের গ্রানাডা হাইট থেকে তোলা। দিনে এই বারান্দা থেকে  আমেরিকার পুরাতন বোস্টন শহরের ও অন্যান্য শহরতলীর দ্বিতল বাসভবন গুলো ছাড়া আটলান্টিকের নীল জলরাশির সাথে সুর্যের মিলন দেখি। আমার খুব প্রিয় একটা যায়গা। এই বারান্দা থেকেই স্নো-পড়া দেখে এই নবীশ মন চমকে উঠেছিল প্রথম। 


১।



2

February 18, 2014

দিমিত্রি...


দিমিত্রি, আলবেনিয়ায় জন্ম।  বেড়েও উঠেছেন সেখানে।  এখন বসতি গড়েছেন আমেরিকার নিউ ইয়র্ক  এ দেশে আছেন তাও বিশ বছর হতে চলল। আজ ভালবাসার দিনে ফুল কিনেছেন তার দীর্ঘদিনের সঙ্গিনীর জন্য তাদের বিবাহিত জীবনের বয়স ২২ বছর যাবত




December 31, 2013

Boston downtown

  





আমার বন্ধু, বড় ভাই আহমেদ শরীফ ( Ideas r bulet proof) আমায় সব সময় অনুপ্রেরণা যোগান কিছু একটা লেখার জন্য। যখন ছবি তোলা ছেড়ে দেই সেখানে বাগড়া যোগান শরীফ ভাই। আজ অনেক দিন পর এই ব্লগে কিছু পোষ্ট করার পেছনেও তার অনুপ্রেরণা কাজ করেছে। 

May 18, 2013

MADE IN BANGLADESH


১।
 শুক্রবার নামাযের পর এক ফুফাত বোনের বিয়েতে গেলাম। সেখানেই মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠাল এক বন্ধু "১৭ দিন পর একজন নারী কর্মী উদ্ধার সাভার রানা প্লাজার ২য় তলা থেকে। খুশি লাগল। যাক আর একজন তো বেচে যাওয়াদের তালিকায় ফিরলেন। তিনি কোন নাম্বারের না হয়ে নামের হয়ে এলেন। কিন্তু দিন শেষ না হতে দেখলাম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যামে ঝড় উঠেছে। কারো কারো সাধুবাদ বা কারো সমালোচনায়। তবে বেশীরভাগ মনে হয় শুকরিয়া আদায় করেছেন। 

কারো কারো কথা রেশমা এতোদিন পর জীবিত তবুও ওর কাপড় নতুন কেন? কারো প্রশ্ন তারে দেইক্ষা এরকম ফ্রেশ লাগতাছে কেন? আরো কত কি!!!

রেশমা নিজেই তার উত্তর দিয়েছে। সে যেখানে পড়েছে সেখানে খাবার দাবার কিছু কিছু পেয়েছে । শেষ দুদিন কিছু খেতে পায় নি। ফায়ার সার্ভীসের দেয়া চুইয়ে পড়া পানি সে খেয়েছে। এবার আসি কাপড়চোপড়ের কথায়। সেখানে অনেক কর্মীর কাপড় তাদের বের করতে গিয়ে নষ্ট হয়ে গিয়েছে তাই বলে আমাদের উদ্ধারকর্মীরা তো তাদের সেভাবে সবার সামনে আসতে দেন নাই। যারা সমালোচনা করেছেন বা করছেন তাদের কাছে জিজ্ঞাসা আপনাদের মূল জিজ্ঞাসা আসলে কি??  আর বার বার বলতে ইচ্ছে হয় "হায় বোন রেশমা। কেন তুই বেচে উঠলি। আমাদের সুযোগ দিলি রাজনীতির?"

এখানে কেউ রাজনৈতিক পরিচয়ে যান নাই উদ্ধার করতে। হেফাজত ইসলামি ছাড়া, কারন তারাই একমাত্র মাথায় পরচয় সূচক বেধে কাজ করেছেন। তবে কেন তাদের আমরা  মিথ্যা অপবাদ দেবকেন? 

২। 
আমরা অনেকেই গার্মেন্টস কারখানায় হওয়া বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করি কিন্তু কতজন জানি আমরা এর ভেতরের কথা? আমরা হয়তো অনেকেই বেতন ভাতা বা অন্যান্য জিনিস নিয়ে সুখি না। আমাদের এখানে তাজরিন বা ফ্যান্টম যেমন আছে তেমনি স্কয়ার বা বেক্সীমকো, অনন্ত বা দুলাল ব্রাদার্স এর মত কারখানা রয়েছে যেখানে ডর্মেটরী থেকে শুরুকরে সব শুবিধা রয়েছে।  তাদের জন্য এই অভাজনের অনুরোধ আপনারা জানুন। তারপর কথা বলুন। আমাদের না জেনে কথা বলা থেকে বা আমাদের ভুল তথ্যের সু্যোগ নিয়ে আমদের "MADE IN BANGLADESH" ব্র্যান্ডটি রক্তাক্ত হচ্ছে।  আর তার ফল হিসেবে ১৫ থেকে ২০ মিলিয়ন লোকের বেকার হয়ে যাওয়া যা আমদের অর্থনীতি ও সরকারের জন্য এটা হবে খুব খারাপ সংকেত। কারন জিডিপিতে তাদের অংশ গ্রহনও খুব একটা কম নয় কিন্তু। 

আমরা কি পারি না আমাদের হারানো সুনাম ফেরত আনতে। আমরা রাজনৈতিক ভাবে চিন্তা করি সব কিছু। বিরোধী জোট ক্ষমতায় আসলেও একই অর্থনীতির পিঠে সওয়ারী হতে হবে। তাই কেন বিরোধীতা? সরকার সমর্থক বা বিরোধীজোট  সমর্থক সবার ই উচিত  মিলে মিশে এক্ষেত্রে কাজ করা ও বাংলাদেশ ব্র্যান্ডের জন্য কাজ করা। আপনার প্রোফাইল ছবি থেকে আজই বাদ দিন না সেই রক্তাক্ত ছবি! বাংলাদেশের পোশাকের দাম রক্ত দিয়ে নয় হোক মূল্যায়ন সঠিক মুজুরীর বিনিময় মূল্যে। তবেই কানাডার কোন দোকান তাদের দরজায় সাইনবোর্ড ঝুলানোর মত সাহস পাবে না যে " এখানে বাংলাদেশের তৈরী কাপড় নেই"।

কারন আমরা মানসম্মত পোষাক তৈরী করি।

ব্যাবহৃত ছবিঃ  ইন্টারনেট হইতে সংগৃহীত



May 07, 2013

গনতান্ত্রিক হিজিবিজি ৩

উৎকণ্ঠার মাঝে যাওয়া দিন শেষ হলো। তারপরও থেকে গেল। সোসাল মিডিয়া, গুনিজন সবার মুখে একই কথা ৪৫০ থেকে ২৫০০০ আবার কেউ কেউ শুন্য বাড়ানোর প্রতিযোগীতায় মত্ত হয়ে ৫০০০০ বানিয়ে দিলেন। আমরা কখনো মৃত্যু কামনা করি না। অপঘাতে মৃত্যুতো নয়ই।

মাদ্রাসা ভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম তাদের ১৩ দফা দাবী নিয়ে যে তান্ডব চালাল তা কতটা যৌক্তিক সেটা সাধারন জনতা হিসেব করবেন। আমি এর মাঝে গত দুদিন ঘটেযাওয়া ঘটনার কিছু জিনিশ আর কিছু লোকের মন্তব্য নিয়ে কথা বলব। আজ সকাল অফিসের গাড়ীর জন্য দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে খবর শুনছিলাম সাথে শ্রোতার বিশ্লেষন। " এত রাইত্তে অপারেশন চালাইছে মানুশ তো মরছেই, সব সরায়া ফালাইছে"। কিন্তু তারা কইতে পারলেন না কই সরাইছে। 

৭১ টেলীভিশনে একটা অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক জনাব মামুন একইভাবে বিবেচনা না করে দাবী করছেন যে ২৫০০ হেফাজতীর মৃত্য হয়েছে। তবে আল জাজিরা টেলীভিশনের খবর হল ৩৬ জন মারাগেছেন আরা তার নিচে কমেণ্ট এ মাহমুদ হাসান নামক একজন লিখেছেন যে ৩০০০জন মানুষ মৃত্যুবরন করেছেন। হেফাজতের বাবুনাগরী সাহেব ও একই দাবী করেছেন। প্রধান বিরোধী দলের বড়কর্তাগন এর সাথে গলা মিলিয়ে গায়েবানা জানাযা আদায় করেছেন। তার সাথে সাথে এক নেতা আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের সংখ্যা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন যা সঞ্চালক বন্ধ করে দিয়েছেন। 

কেন রাতে অভিযান চালিয়েছেন তার বর্ননা দিয়েছেন বিভিন্ন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। ব্যাখ্যা দিয়েছেন। টেলিভিশন চ্যানেল কোনটি সাথে ছিল কেন ছিল জানিয়েছেন। কেন বিদ্যুৎ বন্ধ হয়েছে তা আমরা সবাই জানি কিন্ত মানতে রাজি নই। বিরোধী দলীয় নেত্রি বিভিন্নভাবে হেফাজত ই ইসলাম এর পাশে দাড়াতে চেষ্টা করেছেন কিন্তু ফলাফল শুন্য।

কেউ কেউ বলছেন বাইতুল মুকাররম মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় তান্ডব যুবলীগ চালিয়েছে। তবে হেফাজতের তো কোনপ্রকার বাধার নমুনা দেখা যায় নাই। তবে যুবলীগের কাউকে দেখার কথা কেউ নিশ্চিত করতে পারেন নাই। পাশেই আরোএকটি দলের অফিস কিন্তু তাদের কথা কেউ বলতে চাচ্ছেন না। তবে তাদের দিকেই আঙ্গুল তুলছেন বিবেকবান মানুষেরা। ব্যাঙ্ক, খাবার দোকান, ফুটপাতের হকার এর দোকান, ধর্মীয় বই পুড়িয়ে ৯০ ভাগ মুসলীমের দেশে এ কোন ইসলাম কায়েম এর স্বপ্ন?? 

তার মাঝে সকলেই যানেন তারা যা বলছেন তা সত্য নয় তথাপী কেন বলছেন? কারন তারা রাজনীতি করেন। আর যে সকল বাচ্চা মাদ্রাসার ছাত্র এসেছে এখানে যোগদিতে তারা জানেই না তারা কেন আসছে! বড় হুজুরগন কি পেয়েছেন তারা নিজেরা যানেন তাইবলে তারা ছাত্রদের ব্ল্যাকমেল করেছেন। এর জবাব আপনাদের দিতে হবে! 

তবে রাজনীতিবিদদের উপর বিশ্বাস তারা শুন্যের কোটায় নামিয়ে এনেছেন প্রায়। তারা এই গনিত শিক্ষার শেষ করবেন কবে তা জানি না। তবে সংখ্যা তত্তের কারনে সংখ্যাটা শংকাজনক হচ্ছে যার পরিনতি খুব খারাপ। আর তা সাধারন জনগনকে ভোগ করতে হবে।  

April 26, 2013

গণতান্ত্রিক হিজিবিজি -২

সব ডামাঢোল চাপা পড়ে গেছে  পচন ধরা ইট আর পাথরের নিচে। গত চারদিন যাবত চাপা পড়েও মাঝে মাঝে উঠতে চাচ্ছে। আবার যুদ্ধ শুরু হয়ে হয়ে হয় না। একটা গ্রুপ ফেসবুকে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। কথার যুদ্ধ। তারা ভাল বলতে পারেন, তাদের কথায় রক্ত ঝরার মত করে কথাও ঝরে। 

আমরা আমজনতা সকল সময়ই আম। আগের রাজাদের ক্ষেত্রেও ইতিহাসে লেখা আছে সেসব বা রাজাদের বাড়িতে গেলে আম দরবারের জন্য আলাদা যায়গা দেখলেও বোঝা যায়। আমাদের দেশেও একই অবস্থা। সকল অবস্থায় আইন আছে তবে তা কেবল মানা লাগে আমাদের আম/সাধারন মানুষের। আমাদের জন্য ডান্ডাবেড়ী সব সময় তৈরি থাকে। কিন্তু যাদের ছো্য়া দরকার তাদের ছোয় না। 

সাভার যায়গাটার সাথে অনেকভাবে জড়িত। প্রায় আটবছর এই এলাকার উপর দিয়ে আসা যাওয়া করেছি। আর দেশব্যাপি যেই যায়গা নিয়ে কথা চলছে তার ডোবায় জমতে দেখছি ময়লার পাহাড়। আরা তারপর গজিয়ে ওঠা সেই রানা প্লাজা। ভালই লাগছিল সাভারের উন্নতি দেখে। আস্তে আস্তে সাভারে আরো কিছু শপিং সেন্টার গড়ে উঠেছে। শহর তলি থেকে প্রায় উপ শহর হয়ে উঠেছে এখন সাভার। 

আর সেই গজিয়ে উঠা রানা প্লাজা নিয়ে নিলো ৪ শতাধিক প্রান। তার পর যথা নিয়মে শুরু আমাদের রাজনীতির পথ চলা। কেউবা সরকার ফেলেছে আবার কেউ বলতে থাকেন বিরোধী দলের ঝাকিতে পড়েছে। কিন্তু তার মাঝেও সাধারন মানুষ উঠে এসেছে রাজনীতি উর্ধে। নিজের প্রান বাজী রেখে বাচাতে লাগলেন তারা একের পর এক প্রান। এভাবে প্রায় ২৪০০ এর অধিক প্রান আবার ফিরে আসে ধরনীর ছায়ানীড়ে। 

ডাক্তার এনাম তাদের মাঝে একজন যিনি পেশকে নিয়েগেছেন সত্যিকার মানবতার জন্য। তা খুব কম ডাক্তার ই করেন। তার মাঝে প্রাইভেট হাস্পাতাল ভিতি আমাদের সবার আছে। তারা পেশাকে যেখানে নিয়ে পৌছেছেন ডাকাতির পর্যায়ে তার থেকে মুক্তি দিলেন। বিনা খরচে নিজেদের ফান্ড থেকে খরচ শুরুর মাধ্যমে চিকিৎসা দিয়েছেন আহতদের। ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে ঝাপিয়ে পড়েছেন প্রান বাচাতে। আমার শ্রদ্ধা আপনাদের।

সাভারের চারটি তৈরি পোশাক কারখানার কর্মকর্তা বা কর্মচারীরা যারা মারা গেছেন বা আহত হয়েছেন তারা সবাই আমাদের নষ্ট রাজনীতির বলি ছাড়া কি অন্য কিছু?

এর মাঝেও আমাদের নষ্ট রাজনৈতিক নেতারা ভোটের ব্যাঙ্ক খুজছেন। তবে স্বাভাবিকই মনে হয় আমার এসব কিছু। রাজনীতির মার প্যাচেইতো মরল এই লোকগুলো। শাহীনাকে উদ্ধার করতে পারেনাই তাই আবুলখায়ের বা এজাজ কাদেন। কিন্তু নেতারা ভাবেননা সেসব কিছুই। দেড়বছরের বাচ্চাটা আর মাকে পাবে না বাবাতো পরপারে গেছেন বছর পেরিয়ে গেল। আশ্চর্যান্বিত হই যখন দেখি কেউ কেউ সাহায্য ঘোষনা করেন মোবাইল অপারেটরদের শেখানো পদ্ধতিতে। নিচে স্টার দিয়ে শর্তপ্রযো্য্য এর মত করে। শর্তটা হল তাদের ক্ষমতার নরম গদিতে বসাতে হবে।

আর কতকাল এমন চেয়ে দেখবো আমরা! আর পিঠইবা কত দিন পেতে দেব ভোট ভিক্ষুকদের জন্য??? 

April 10, 2013

গনতান্ত্রিক হিজিবিজি ১


কিছুদিন গনতন্ত্রের(তবে আমারা জানা নাই এটা গনতন্ত্র না অন্য কিছু) জন্য যেই তান্ডব চলছে তা কত দিন চলবে সেটা স্রষ্টা ভাল জানেন। কারো কারো মতে ১০০ কারো মতে ১৭০ কিংবা কারো মতে তারো বেশী লোক মৃত্যুবরন করেছেন। কিন্তু কেন? 

সবার আগে ভোট, তারপর ভোট এবং তার পরও ভোট। তার পর জনগন এর যদি কোন দাবি দাওয়া থাকে তা আসতে পারে। তবে বেশীর ভাগ সময় আসে না। আমরা বাংলাদেশীরা খুব মনে করি হরতাল আমাদের মৌলিক গনতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু হরতাল এর মাধ্যমে কোন দাবি সুষ্ঠভাবে আদায় হয় বলে আমি মনে করিনা। ১৯৪৭-১৯৭১ সময়ে যে হরতাল ছিল সর্বসম্মতির বর্তমানে কি তা প্রতিফলিত হচ্ছে? আমরা ভয়ে বের হচ্ছিনা বাড়ি থেকে তার মানে কি হরতাল সফল?

ভারতবর্ষে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির ইতিহাস বহু পূর্ব থেকে। বারবার এখানে আক্রমন হয়েছে ধর্মীয় কারনে। ইংরেজ আমাদের ২০০ বছর শাসন করেছে এই ধর্মীয় বিভাজনের মাধ্যমেই। তারা তাদের ধর্ম প্রচার করেছে। তাছাড়াও মুসলিম হিন্দু এই দু ভাগের কারনে আরো বিভিন ফায়দা লুটেছে তারা। আমরা কি পেয়েছি তা থেকে? শুধু পিছিয়ে পড়া ছাড়া। তারা শেষ কাজটা করে গেল ধর্মীয় ভিত্তিতে ভারত বিভাজনের মাধ্যমে। মাঝখানে পড়ে আমরা চিড়েচ্যপ্টা।

স্বাধীনতার জন্য দেশের মানুষ যখল লড়ছিল তখনো চলছিল অপপ্রচার। তাও ধর্মীয় ভিত্তিতে। এইদেশের প্রায় ৮০ ভাগ মানুষ যেখানে মুসলিম সেখানে হিন্দুত্তের ধোয়া তুলে বারবার অত্যাচারের স্বীকার হতে হল। আবার ৪২ বছর পর একই ধোয়াশা আমাদের পিছুনিল। সেই একই গোষ্ঠী। ধর্মীয় মৌলবাদ, নাস্তিকতাবাদ, আর ব্লগার এই তিনটি জিনিষ জুজু বুড়ীর মত চেপে বসলো আমাদের ঘাড়ে। আমাদের একটা গ্রুপ ধর্ম আর ব্লগ/ফোরামকে মিলিয়ে ফেললেন একসাথে। কোনটি কি তা না জেনেই। রাজনৈতিক দলগুলো ও ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে দৌড়ঝাপ শুরু করল। কিন্তু ফল হল কি?

পুজিঠিকই ৭১ এর দোশরদের রয়ে গেল। তাদের বিচার ধামা চাপা পড়ার পর্যায়ে চলে গেল। বর্তমান সরকারকে ম্যান্ডেট দেয়া হয় এই বিচারের জন্যই। যেহেতু বিরোধী দলের সাথেই রয়েছে এই ধর্ম ব্যবসায়ী গ্রুপ তাই তাদের বাচাতে বিরোধী দলও শুরু করল দৌড়ঝাপ। মাঝখানে কিছু ছেলেমেয়ে যারা প্রগতিশীল তারা আন্দোলন করতে গিয়ে নাস্তিকতার বিষ বোঝা মাথায় নিতে হল।  আমরা ধর্মীয় দিকে দুর্বল। কিন্তু তাই বলে এ নিয়ে ভাববনা তাকি ঠিক। শাহবাগ এ বসে গান গাইলাম আর ব্লগিং করলাম তাতে কি সকলেই জানবে যে কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যে!

রাজনৈতিক বিষবাস্প ছড়াচ্ছিল কিছু পত্রিকা আর এক বা দুটি টেলিভিশন চ্যানেল। কিন্তু সরকার ও চুপচাপ। আসলেই কি চুপচাপ? তারা অলৌকিক কিছু স্ট্যান্টবাজী করছেন। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলছেন না গুটি কয়েক তরুন বাদে।

মূল আন্দোলন এখন হারানোর পথে। এখন চলছে আবার নতুন আন্দোলন। নাস্তিকতামুক্তির আন্দোলন। প্রায় ৮৫ ভাগ মুসলিমের দেশে আজ ইসলাম হেফাজতের নামে চলছে আন্দোলন। যদিও এখনো সময় আসেনি এ বিষয়ে মন্তব্য করার।

March 14, 2013



আজ ভাবনাটা হঠাৎ মাথায় আসা নয়... কিছুদিন পূর্বে ইন্ডিয়া ভ্রমনে যাই তখনকার ভাবনা এটা। মহাত্মাগান্ধীর বাড়ি এখন যা জাদুঘর হিসেবে পরিচিত তা দেখতে দেখতে এক বাংলাদেশি সরকারী কর্ম কর্তার কথা শুনে মাথাটা কিছুটা চিড়বিড়িয়ে উঠেছিল। আমি কোন দলের সমর্থক নই। কিন্তু আমি আমার দেশের মুক্তি যুদ্ধের সাথে যারা যুক্ত তাদের সবাইকে সম্মান করি। সম্মান করি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে। যিনি ডাক দিয়েছিলেন স্বাধিনতার। আমি সেই সরকারী কর্মকর্তার কাছে প্রশ্ন করেছিলাম আপনি কি বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে এখানে আসছেন?? তিনি হ্যা বলতেই জিজ্ঞেস করলাম এই স্বাধীনতার জন্য কত লোক প্রান দিসেন যানেন?? তিনি বললেন ৩ লক্ষ। তখন  আমার কথা বন্ধ হয়ে যাবার উপক্রম। এর তো বাংলাদেশের সরকারী চাকুরী করার যোগ্যতা নাই মনে হলো। আমি তর্কে গেলাম না। তাকে শুধু বললাম আপনি জেনে নেবেন দয়া করে। শুধু এটুকু বলি ২৭৯০০০ মা/বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে আপনার পাসপোর্ট পেয়েছেন... দয়াকরে সামলে রাখবেন। আর ওদের কথা স্মরন রাখবেন।  যেহেতু শহীদ মাত্র ৩ লক্ষ বলছেন তাই চিন্তা করলাম তার বোঝা আমরাই রাখি। সেই কর্মকর্তাকে কোনবোঝা দেবার দরকার নাই...


আজ এক ব্যাবসায়ী বঙ্গবন্ধুকে বঙ্গবল্টু  বলছিলেন বার বার করে। তাই তাকে আমার খুব বলতে ইচ্ছে করছিল। আপনি আজ শান্তিতে ব্যাবসা করছেন এই বঙ্গবল্টুর জন্যই। তিনি ডাক নাদিলে এতদিনে দেশ স্বাধীন হত না। তিনি মহৎ হৃদয়ের অধিকারী না হলে রাষ্ট্রক্ষমতা দ্বারা নিজের পরিবারের জন্য অনেক কিছু করে যেতেন। ভারতীয় র এর সাবধান বানী শুনে বুলতেন না ওরা আমার ছেলে আমায় মারতে যাবে কেন? তিনি যে কবছর বেচেছেন তার অর্ধেকের বেশী সময় তিনি গজেলে কাটিয়েছেন তার সবই এই অকৃতজ্ঞ আমাদের জন্য।

 বর্তমান আওয়ামীলীগ ও তার জোট সরকার কিভাবে সরকার চালাচ্ছেন তা তাদের উপর বর্তায়। তাই বলে কেন আমি সেই সূর্য সন্তানকে গালী দেব?? বা তার সেই ত্যাগকে কেন অস্বীকার করব?? তাকে গালী দেব কেন?? আজ আমি অকৃতজ্ঞ হলে আমার পরবর্তী প্রজন্মকি আমার উপর সমান ভাবে দোষ চাপাবে না!!! 

নতুন ইউনিফর্ম, পুরোনো সমস্যা: বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর রং বদলের রহস্য

২০২৫ সালের শেষভাগে বাংলাদেশের পুলিশ, র্যাব ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা পেলেন এক নতুন চেহারা। দীর্ঘদিনের চেনা নীল-সবুজ পোশাক সরিয়ে তাঁদের গায়ে ...