March 14, 2013



আজ ভাবনাটা হঠাৎ মাথায় আসা নয়... কিছুদিন পূর্বে ইন্ডিয়া ভ্রমনে যাই তখনকার ভাবনা এটা। মহাত্মাগান্ধীর বাড়ি এখন যা জাদুঘর হিসেবে পরিচিত তা দেখতে দেখতে এক বাংলাদেশি সরকারী কর্ম কর্তার কথা শুনে মাথাটা কিছুটা চিড়বিড়িয়ে উঠেছিল। আমি কোন দলের সমর্থক নই। কিন্তু আমি আমার দেশের মুক্তি যুদ্ধের সাথে যারা যুক্ত তাদের সবাইকে সম্মান করি। সম্মান করি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে। যিনি ডাক দিয়েছিলেন স্বাধিনতার। আমি সেই সরকারী কর্মকর্তার কাছে প্রশ্ন করেছিলাম আপনি কি বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে এখানে আসছেন?? তিনি হ্যা বলতেই জিজ্ঞেস করলাম এই স্বাধীনতার জন্য কত লোক প্রান দিসেন যানেন?? তিনি বললেন ৩ লক্ষ। তখন  আমার কথা বন্ধ হয়ে যাবার উপক্রম। এর তো বাংলাদেশের সরকারী চাকুরী করার যোগ্যতা নাই মনে হলো। আমি তর্কে গেলাম না। তাকে শুধু বললাম আপনি জেনে নেবেন দয়া করে। শুধু এটুকু বলি ২৭৯০০০ মা/বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে আপনার পাসপোর্ট পেয়েছেন... দয়াকরে সামলে রাখবেন। আর ওদের কথা স্মরন রাখবেন।  যেহেতু শহীদ মাত্র ৩ লক্ষ বলছেন তাই চিন্তা করলাম তার বোঝা আমরাই রাখি। সেই কর্মকর্তাকে কোনবোঝা দেবার দরকার নাই...


আজ এক ব্যাবসায়ী বঙ্গবন্ধুকে বঙ্গবল্টু  বলছিলেন বার বার করে। তাই তাকে আমার খুব বলতে ইচ্ছে করছিল। আপনি আজ শান্তিতে ব্যাবসা করছেন এই বঙ্গবল্টুর জন্যই। তিনি ডাক নাদিলে এতদিনে দেশ স্বাধীন হত না। তিনি মহৎ হৃদয়ের অধিকারী না হলে রাষ্ট্রক্ষমতা দ্বারা নিজের পরিবারের জন্য অনেক কিছু করে যেতেন। ভারতীয় র এর সাবধান বানী শুনে বুলতেন না ওরা আমার ছেলে আমায় মারতে যাবে কেন? তিনি যে কবছর বেচেছেন তার অর্ধেকের বেশী সময় তিনি গজেলে কাটিয়েছেন তার সবই এই অকৃতজ্ঞ আমাদের জন্য।

 বর্তমান আওয়ামীলীগ ও তার জোট সরকার কিভাবে সরকার চালাচ্ছেন তা তাদের উপর বর্তায়। তাই বলে কেন আমি সেই সূর্য সন্তানকে গালী দেব?? বা তার সেই ত্যাগকে কেন অস্বীকার করব?? তাকে গালী দেব কেন?? আজ আমি অকৃতজ্ঞ হলে আমার পরবর্তী প্রজন্মকি আমার উপর সমান ভাবে দোষ চাপাবে না!!! 

March 11, 2013

ভোতা অনুভুতির কথা...

কিছুদিন যাবত পত্রিকার পাতা খুললে খুন আর ধর্ষন এর খবর দেখতে দেখতে আমি ক্লান্ত। আমরা এত নির্লিপ্ত হয়ে গেছি। এর কোনটির প্রতিবাদ হচ্ছেনা। আইনশৃংখলা বাহিনী চেয়েও পারছে না এটা ঠেকাতে। এমন নৈতিক অবক্ষয়ের জন্য কি আমাদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি দায়ী? না আমাদের সামাজিক ও পারিবারিক অস্থিরতা দায়ী?
 শিক্ষক নামের কলঙ্ক পরিমলের ছাত্রী ধর্ষন, রাতে ডিউটিকালীন ধর্ষনে ব্যর্থ হয়ে ডাক্তার ইভা হত্যা, টাঙ্গাইলে বান্ধবীর সহায়তার ধর্ষন, কাপাসিয়ায় সাংসদ রিমির পিএস কাজল কর্তৃক গৃহপরিচারিকা ধর্ষনসহ অনেক ধর্ষন ঘটছে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশে। কিছু আসছে মিডিয়ায়, কিছু অজানাই থেকে যাচ্ছে। কিন্তু এসব ধর্ষনের ঘটনার কি বিচার হয়েছে? মানুষ যদি অপরাধ করলে শাস্তি না পায়, সেখানে এধরনের অপরাধ বাড়বে না তো কি কম্বে??? ধর্ষনের সর্বশেষ ন্যাক্কার জনক ঘটেছে  মানিকগঞ্জে, যেখানে চলন্ত বাসে হেলপার ধর্ষন করেছে এক গার্মেন্টস কর্মীকে।
এই ঘটনাগুলোর শেষ কোথায়? আমরা কি প্রতিবাদী হব না? এমন ঘটনাতো আমাদের পরিবারের সদস্যদের সাথেও ঘটতে পারে???? আমরা চরম স্বার্থপর জাতি, নিজেরা পরিস্থিতির শিকার না হলে বোধদয় হয় না। ধর্ষকদের শাস্তির দাবীতে সোচ্চার হোন, লাগাম টেনে ধরতে হবে, নইলে আমাদের পরিবারের মেয়েরাও নিরাপদে থাকবে না।

নতুন ইউনিফর্ম, পুরোনো সমস্যা: বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর রং বদলের রহস্য

২০২৫ সালের শেষভাগে বাংলাদেশের পুলিশ, র্যাব ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা পেলেন এক নতুন চেহারা। দীর্ঘদিনের চেনা নীল-সবুজ পোশাক সরিয়ে তাঁদের গায়ে ...