বসিলা ও চর ওয়াশপুর কে ভাগ করেছে
বুড়িগঙ্গা। বেশিদিন হয়নাই এখানে একটা সেতু নির্মিত হয়েছে। আর সেতুর সাথে সাথে কিছু
লোকের ভাগ্য খুলেছে। কিছু লোক জীবিকা হারিয়েছে। কেউবা হারিয়েছে বাড়ী ঘর। কারন
উন্নয়নের বলিতো কাউকে না কাউকে হতেই হবে!!!
এখন গেলে আপনি দেখবেন না গুদারা ঘাটে গুদারা বা ইঞ্জিন নৌকা আপনার জন্য অপেক্ষারত। আপনি হুডখোলা কিছু তিনচাকার বেবীট্যাক্সী পাবেন যা ঢাকা হতে বিতাড়িত হয়েছিল পরিবেশের মুক্তির জন্য।
ছবি-১ বালিভরাট হচ্ছে ড্রেজিং পাইপের
লিকেজ দিয়ে।
আর দেখবেন আশেপাশে অসংখ ড্রেজার বালি ভরাট
করছে। ঢাকাকে বড় করতে ব্যাস্ত কিছু লোক। আর আপনি যেকোন খালি জমির কাছ দিয়ে যেতে
গেলেই শুনবেন হয়তো একটা প্রশ্ন কি ভাই জমি কিনবেন নাকি???
বসিলা বা চরওয়াশপুর এর অনেক পরিবারের
জীবিকা ছিল এই নদী নির্ভর। কিন্তু আজ আর তা নেই। নদীই নাই হতে বসেছে। জীবিকা থাকবে
কোথা হতে। বর্ষার সময় ছাড়া আপনি গেলে দূষিত পানির গন্ধে গা গুলিয়ে আসবে।
ছবি-২ বালি ভরাট হয়ে জেগে ওঠা কৃত্রিম চর।
এই ড্রেজারে বালিভরাটের সময় সুন্দরভাবে
নদী ভরাট হচ্ছে কিন্তু আপনি দেখলে ভাবতে পারেন তারা সামান্য ভুল করে নদিতে কিছু
বালি ফেলছে। ছোট একটা লিকেজ থেকে নদির ৩ আর ৪ নং পিলারের মাঝে প্রায় ভরাট হয়ে গেছে
যা চর পড়েছে বলে ভুল হলেও হতে পারে।
আসলে কি তা???

