২০০০ সালের এপ্রিল মাসে ক্লাস শুরু করার পর জাবি আমার সত্ত্বার অংশ হয়ে যায়। তারপর দেখতে দেখতে প্রায় ৮ বছর ৮ মাস শেষে শিক্ষাজীবন শেষ করি। তাইবলে জাবি যাওয়া আমার কমেনি। এখনো যখন ডেইরী গেটে বাসথেকে নামার পর মনে হয় নিজ বাড়িতে ফিরলাম।
আমাদের বর্তমান উপাচার্য দায়িত্ত্ব গ্রহনের পর নিরাপত্ত্বা কর্মকর্তার দায়িত্ত্ব দেন প্রাক্তন ক্যাডার এর হাতে। ক্যাম্পাসে যখনই যাই তখন শুনি বর্তমান ছাত্র ছাত্রিদের লাঞ্চিত হওয়ার কথা। কথায় কথায় থ্রেট করা। শারিরিক ভাব নাজেহাল করা। তার পর থেকে মনে হয় এ বাড়ি আর আমাদের নাই। ক্যাম্পাসের রাস্তায় পুরান ছাত্ররা নিরাপদ নয়। তাদের অত্যাচারের বহু রেকর্ড করেছে বর্তমান প্রশাষন।
সেই ল্যাম্পপোষ্টের নিচে আড্ডা বা মুক্তমঞ্চের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কথা খুব একটা শোনা যায় না। শিক্ষায়তনের মাঝে জাবির যে আবহ ছিল তা হারিয়ে গেছে। সাংস্কৃতিক রাজধানী আজ মৃত। সংগঠন সমূহ এখন স্বাধীন ভাবে কাজের সুযোগ পায় না।
২০১০ সালে চারতলার ছাদ থেকে ফেলে দেয়া ছাত্ররা এখনো সুস্থ হয়নি। তবে হতাশার কথা কিনা জানি না তারা বিচারও পায় নি। আজ যখন আবার দেখি আমার বাড়ীর সেই পিচঢালা রাস্তার রঙ পাল্টেফেলেছে কিছু শকুন তখন
কষ্ট হওয়া ছাড়া কিছু করার থাকেনা। ক্যাম্পাসে শিক্ষক নামক কিছু পশু যখন
তাদের হয়ে কথা বলেন তখন মনে হয় আমার বাড়ি দুর্বৃত্ত কর্তৃক দখল হওয়া।
আজ সেই লাশ নিয়েই যখন শিক্ষকরা রাজনীতীর তীর ছুড়েন তখন কি করা উচিত??? এই শিক্ষক নাকি পিতার সমান! তবে তার এক সন্তানকে চারতলা থেকে ফেলদেয়ার বিচার কেন করেন না?? তার ছেলের রক্তে কেন পিচঢালা পথের রঙ পাল্টাবে?? তারা তা নিয়েও কেন রাজনিতি করছেন??? আমি জানি না কেউ এই প্রশ্নের উত্তর দিবেন কিনা?
এতদিন জানতাম কাক কাকের মাংশ খায় না। কিন্ত যখন পত্রিকায় দেখি ক্যাম্পাসের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ত্বে থাকা শিক্ষক আরেক শিক্ষকের গায়ে হাত তুলে। তখন মনে হয় প্রবাদটা ভুল ছিল।
এতদিন জানতাম কাক কাকের মাংশ খায় না। কিন্ত যখন পত্রিকায় দেখি ক্যাম্পাসের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ত্বে থাকা শিক্ষক আরেক শিক্ষকের গায়ে হাত তুলে। তখন মনে হয় প্রবাদটা ভুল ছিল।