কিছুদিন আগে হেঁচকি নামে একটা সিনেমা দেখেছিলাম। হিন্দি সিনেমা দেখা আমার সময় কাটানোর জন্য। কিন্তু এই সিনেমা মনে করিয়ে দেয় অনেক কিছু। ছোটবেলার কথা। ছোটবেলায় কথা বলতে প্রচণ্ডহারে মাম্বলিং করতাম। সেই নিয়ে প্রচুর বুলিং হতো। বন্ধুবান্ধব আত্মীয় স্বজনের কাছ থেকে। আবৃত্তি শেখার চেষ্টাটা সেখান থেকেই। অনেকবার শুনতে হয়েছিল তুই পুকুর পাড়ে গিয়ে একা একা কথা বলে শিখে আসবি কি বলতে হবে। ছোটবেলায় একটা বাচ্চা কথা বলছেনা কোথাও! বুলিং এর জন্য। আজ আমরা বিভিন্ন কথা বলতে গিয়ে শুনছিলাম বুলিং সম্পর্কে। সেটাও টেনে নিয়ে গেল সেই ছোটবেলায়। এখনো হুঠাট শুনতে হয় তেমন বুলিং। কিছুদিন আগেই শুনেছিলাম এক বন্ধুর কাছ থেকে একটা শব্দ "গাঁইয়া"। এমন অনেক শব্দ আমাদের মাঝে ফ্রাস্টেশন এনে দেয়। কেউ এ থেকে বের হতে পারেন কেউ পারেন না।
মূল প্রসঙ্গে আসি... ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুদিনের মাঝে ৮ জন আত্মহত্যা করেছে। এর পেছনে কারণ কি আমরা কি কখনো ভেবেছি? সবাই পত্রিকার খবর দেখেই শেষ। কেন এমন ক্লান্তি এসে যায় জীবনের প্রতি। তারা সমাজের প্রতি বীতশ্রদ্ধ। এদের কি আমরা মোটিভেট করার চেষ্টা করেছি। তাঁদের ডিপ্রেশন কেন? আসলেই এসব নিয়ে চিন্তার সময় এসেছে বোধহয়। এসব ক্লান্তি মনে হয় দূর করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাপদ্ধতি ও আমাদের সামাজিক ব্যাবস্থাকে কিছুটা হলেও বদলানোর সময় হয়েছে। এভাবে আর কত হারাবো আমাদের তরুণ সমাজকে...