উৎকণ্ঠার মাঝে যাওয়া দিন শেষ হলো। তারপরও থেকে গেল।
সোসাল মিডিয়া,
গুনিজন সবার মুখে একই কথা
৪৫০ থেকে ২৫০০০ আবার কেউ কেউ শুন্য বাড়ানোর প্রতিযোগীতায় মত্ত হয়ে ৫০০০০
বানিয়ে দিলেন। আমরা কখনো মৃত্যু কামনা করি না। অপঘাতে মৃত্যুতো নয়ই।
মাদ্রাসা ভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম তাদের ১৩ দফা দাবী
নিয়ে যে তান্ডব চালাল তা কতটা যৌক্তিক সেটা সাধারন জনতা হিসেব করবেন। আমি এর মাঝে
গত দুদিন ঘটেযাওয়া ঘটনার কিছু জিনিশ আর কিছু লোকের মন্তব্য নিয়ে কথা বলব। আজ
সকাল অফিসের গাড়ীর জন্য দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে খবর শুনছিলাম সাথে শ্রোতার
বিশ্লেষন। " এত রাইত্তে অপারেশন চালাইছে মানুশ তো মরছেই, সব সরায়া ফালাইছে"।
কিন্তু তারা কইতে পারলেন না কই সরাইছে।
৭১
টেলীভিশনে একটা অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক জনাব
মামুন একইভাবে বিবেচনা না করে দাবী করছেন যে ২৫০০ হেফাজতীর মৃত্য হয়েছে। তবে আল
জাজিরা টেলীভিশনের খবর হল ৩৬ জন মারাগেছেন আরা তার নিচে কমেণ্ট এ মাহমুদ হাসান
নামক একজন লিখেছেন যে ৩০০০জন মানুষ মৃত্যুবরন করেছেন। হেফাজতের বাবুনাগরী সাহেব ও
একই দাবী করেছেন। প্রধান বিরোধী দলের বড়কর্তাগন এর সাথে গলা মিলিয়ে গায়েবানা জানাযা
আদায় করেছেন। তার সাথে সাথে এক নেতা আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের সংখ্যা
নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন যা সঞ্চালক বন্ধ করে দিয়েছেন।
কেন রাতে অভিযান চালিয়েছেন তার বর্ননা দিয়েছেন বিভিন্ন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। ব্যাখ্যা দিয়েছেন। টেলিভিশন চ্যানেল কোনটি সাথে ছিল কেন ছিল জানিয়েছেন। কেন বিদ্যুৎ বন্ধ হয়েছে তা আমরা সবাই জানি কিন্ত মানতে রাজি নই। বিরোধী দলীয় নেত্রি বিভিন্নভাবে হেফাজত ই ইসলাম এর পাশে দাড়াতে চেষ্টা করেছেন কিন্তু ফলাফল শুন্য।
কেউ কেউ বলছেন বাইতুল মুকাররম মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় তান্ডব যুবলীগ চালিয়েছে। তবে হেফাজতের তো কোনপ্রকার বাধার নমুনা দেখা যায় নাই। তবে যুবলীগের কাউকে দেখার কথা কেউ নিশ্চিত করতে পারেন নাই। পাশেই আরোএকটি দলের অফিস কিন্তু তাদের কথা কেউ বলতে চাচ্ছেন না। তবে তাদের দিকেই আঙ্গুল তুলছেন বিবেকবান মানুষেরা। ব্যাঙ্ক, খাবার দোকান, ফুটপাতের হকার এর দোকান, ধর্মীয় বই পুড়িয়ে ৯০ ভাগ মুসলীমের দেশে এ কোন ইসলাম কায়েম এর স্বপ্ন??
তার মাঝে সকলেই যানেন তারা যা বলছেন তা সত্য নয় তথাপী কেন বলছেন? কারন তারা রাজনীতি করেন। আর যে সকল বাচ্চা মাদ্রাসার ছাত্র এসেছে এখানে যোগদিতে তারা জানেই না তারা কেন আসছে! বড় হুজুরগন কি পেয়েছেন তারা নিজেরা যানেন তাইবলে তারা ছাত্রদের ব্ল্যাকমেল করেছেন। এর জবাব আপনাদের দিতে হবে!
তবে রাজনীতিবিদদের উপর বিশ্বাস তারা শুন্যের কোটায় নামিয়ে এনেছেন প্রায়। তারা এই গনিত শিক্ষার শেষ করবেন কবে তা জানি না। তবে সংখ্যা তত্তের কারনে সংখ্যাটা শংকাজনক হচ্ছে যার পরিনতি খুব খারাপ। আর তা সাধারন জনগনকে ভোগ করতে হবে।