January 25, 2015

নগর না দেবালয় ৩

আজ একটি স্বাধীন দেশের বালককে কবর দিতে হবে পরিচয় হীন। সে আজ লাশ। প্রতিহিংসা বললে শব্দটিকে অপমান করা হয়। কিন্তু গলফ খেলা তখনো চলে। কারণ গলফ এর প্রতীতি বলের সাথে দেশের বিভিন্ন বড় বড় লেনদেন জড়িত। প্রতীটি কৃষক তখনো তার উৎপাদিত ফসল গো খাদ্যবানাবেন কিনা তা হিসেব করছেন আর খুঁজছেন সামনের ফড়িয়ার কিস্তি কিভাবে দিবেন।

তখনো আমাদের টাকায় কেনা পেট্রোল ব্যবহৃত হয় আমাদের জ্বালাতে। আর কফির পেয়ালাটা আবার ভরে উঠে। গল্পটা জমে উঠে সাথে সাথে। কিন্তু তাঁরা কেউ দেখতে পান না প্রতীটি কাঁপে একটু পোড়া চামড়া বা তলানিতে একটু চর্বি লেগেথাকে। যা একটু পর তার পেটে যাবে। না দেখতে না দেখতে তা পাকস্থলীতেও চলে যায়। তবু হুশ ফেরে না। গল্পটা চলতেই থাকে।


সাধারণ মানুষ একদিন দুদিন বাসায় থাকে। তাঁরা রাজনীতি বোঝে না। তাঁরা পেট বোঝে। তাদের দিন ফুরুলেই কয়েকটি পেটে দেয়ার নুন আর চাল কিনতে হয়। আর কিনতে গিয়ে হতে হয় জ্বলন্ত লাশ। সেটি কাবাব হিসেবে চলেযায় সুশীলদের পাতে। কিন্তু তবু তাঁরা পদলেহন চালিয়ে যেতে থাকেন। বিশ্ববিদ্যালয়র সর্বচ্চ ডিগ্রিধারী তিনি কিভাবে লেহন করেন একটা দালালের পা। তিনি কি করে ওদের পেছনে জি হুজুর বা অন্যকে দোষারোপ করেযান?

যাত্রাবাড়ী বা মিরপুরের লাশগুলো তখন একত্রিত হতে থাকে। ঢাকা মেডিকেলের মরচুয়ারীতে। তাঁরা ভাবে মিছিল করবে নাকি? কিন্তু সেখানে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা তাঁরা। লাশগুলো তখনো মিছিলের আগে ভাবে চালগুলো সিদ্ধ হল কিন্তু বাড়ির লোকগুলোকে কে পৌঁছে দেবে? আর এ ভাবতে ভাবতে তাঁরাও সিদ্ধান্তে আস্তে পারে না। আর তখনি তাঁরা নাম হারিয়ে সংখ্যায় পরিণত হয়। 

নতুন ইউনিফর্ম, পুরোনো সমস্যা: বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর রং বদলের রহস্য

২০২৫ সালের শেষভাগে বাংলাদেশের পুলিশ, র্যাব ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা পেলেন এক নতুন চেহারা। দীর্ঘদিনের চেনা নীল-সবুজ পোশাক সরিয়ে তাঁদের গায়ে ...