বাংলাদেশ মানচিত্রের আকারে খুব ছোট। কিন্তু অনেক তুলনার আকারেই বড় বা দিন দিন বাড়ছে। এর বেশিরভাগ ব্যক্তিগত প্রচেষ্টার সফলতা। কিন্তু তার সাথে পাল্লাদিয়ে বাড়ছে আমাদের গণতন্ত্রের আকার। যেখানে গন শব্দটার উপস্থিতি প্রায় নেই বলোলেই চলে। প্রতিটি দিন শুরু হয় অন্যের গোত্র উদ্ধারের মাধ্যমে। প্রধান দল গুলীর কেউ এখনো দেশের কোন কিছুতেই একমত হয়ে সহাবস্থান করার মত মানসিকতায় পৌঁছাতে পারেন নি।
সংসদ ভিত্তিক সরকার চালু হল প্রায় ২৪ বছর হয়েগেলো। অথচ কার্যকারিতা বলতে যা বোঝায় তার লক্ষণ দেখ যায় নি। ৪ টি পুর্নাঙ্গ সংসদের কোনটিতেই আমরা দেখিনি সরকারদল ও বিরোধী দলীয় সাংসদগন কে একসাথে বসতে। সবাই সাংসদ পদবী টিকিয়ে রাখার জন্যই শুধু মাত্র সংসদে আসতেন। এর মাঝে ৩ মাসের অতিথি সরকার দারা নির্বাচন নিয়ে হাঙ্গামা কম হয়নি। আমাদের গনতন্ত্রের বয়েস হিসেব করলে এখনো শিশু। তাকে বাড়তে না দিয়ে আমরা তিলে তিলে মারার পর্যায়ে নিচ্ছি। প্রধান বিরোধী দলে যিনি থাকুন না কেন তিনি সংসদে কথা বলার চাইতে বাহিরে বলতেই স্বচ্ছন্দবোধ করেন। সকল কিছুতেই জুজু বুড়ির ভয় দেখাতেও কেউ কম যান না। কিন্তু জুজু বুড়ির ভাল দিকটায় কেউ তাকান না।
তাছাড়া ৪৩ বছর পর এখনো দেশে রাজনীতির ধারা নির্ধারনে ভূমিকা রাখে স্বাধীনতা বিরদ্ধবাদী শক্তি। আর তাদের সাথে জড়িয়ে একটা অংশ ইতিহাসকে কলুষিত করছেন। যারা স্বাধীনতার সাথে জড়িত তাদের ৪৩ বছর পর এসে কেউ বা বিভিন্ন বিশেষণে ভূষিত করছেন এবং তাতে নিজেরাই বিতর্কিত হচ্ছেন। দুঃখের বিষয় হল তার এই অ-গবেশনার সাথে যারা তাল মেলাচ্ছেন তারাও ইতিহাসকে বিকৃত করা ছাড়া তেমন কিছুই করছেন না। আমরা কিভাবে বাংলাদেশের ব্যপারে করতে পারি???