শুব্দ শুনছেন?? টুং টাং করে বার বার করে প্রতিদ্ধনী হচ্ছে। বার বার বেজে যাচ্ছে। এটা কি কোন বৃহৎ পতনের শব্দের রিহার্সেল? না কোথাও পেরেক ঠুকার রিহার্সেল এটা!
গত ৩ মাস যাবৎ একটা সরকারী বিদ্যায়তনের ছাত্র/ শিক্ষকগন তাদের সামান্য কিছু দাবি দাওয়া নিয়ে আন্দোলন করে আসছেন। কিন্তু এর ফলাফল কি হচ্ছে? তাদের হঠাৎ হঠাৎ কিছু উত্তম মধ্যম এর শিকার হতে হচ্ছে। বিদ্যায়তনের প্রধান এর জন্য কমিটি গঠন করছেন বলছেন আবার মারের ব্যাবস্থাও রেখেছেন। আর এসবের জন্য যাদের ব্যাবহার করতেন তারা মাঝে মাঝে একটু আধটু বেশী( সেই একটু কত টুকু ঠিক জানি না)দিয়ে ফেললে কেউ কিছু বলতে পারেনি।
যোবায়ের যার দুর্ভাগ্যের দরুন এসেছিল এমনই এক বিদ্যায়তনে। ইচ্ছে ছিল একদিন সে এই বিদ্যায়তনের গন্ডী পার হবে। দেশের শ্রেনীগত চাকুরীর মাঝে হয়ত একটা বেছে নেবে। কিন্তু তা হওয়ার আগেই তাকে গণ্ডী পার করে দেয় সে সব পালিত লোকজন। আসলে শুধু গন্ডী বলাটা ভূল পৃথিবী এর গন্ডী পেরীয়ে হয়তো কোন একটা নক্ষত্র এখন সে।
যোবায়ের এর মর্মান্তিক প্রস্থানের সাথে যারা জড়ীত তাদের প্রথমে বাচানোর আপ্রান চেস্টা করেন শরীফ এনিমেল কবির নামক জনৈক প্রধান শিক্ষক। কিন্তু ছাত্রছাত্রীদের প্রতিবাদের কাছে তার চেষ্টা বাধ ভাঙ্গা ঢেউ এর মত করে ভেসে যায়। সাথে যোগ হয় দানা বাধা ক্ষোভ।
এই প্রধান শিক্ষকের সময়টাতে যোগ হয় ক্যাম্পাসে গাছ কাটা, সাংস্কৃতিক সংগঠন বন্ধ, আর নিরাপত্তা কর্মকর্তার দ্বারা ছাত্রছাত্রীকে নির্যাতন এমন কি পুরাতন ছাত্রছাত্রীদের অপবাদ দিয়ে নির্যাতন। স্নগস্কৃতিক কর্মকান্ডেরসাথে যারা জড়িত তাদের কিঞ্চিত মারধর করে হাসপাতালে পাঠানো!
আজ যখন দুপুরে দেখলাম বিডি নিউজে প্রধানমন্ত্রির আশ্বাস মনে হলো আমি আবার টুং টাং শব্দ শুনলাম। খট খট খটাস শব্দের। শবটা কি তবে খুব শীঘ্রি বাক্সন্ধী করা যাবে!
এই শব্দটা কি তবে কফিনে পেরেক ঠুকার!
যোবায়ের যার দুর্ভাগ্যের দরুন এসেছিল এমনই এক বিদ্যায়তনে। ইচ্ছে ছিল একদিন সে এই বিদ্যায়তনের গন্ডী পার হবে। দেশের শ্রেনীগত চাকুরীর মাঝে হয়ত একটা বেছে নেবে। কিন্তু তা হওয়ার আগেই তাকে গণ্ডী পার করে দেয় সে সব পালিত লোকজন। আসলে শুধু গন্ডী বলাটা ভূল পৃথিবী এর গন্ডী পেরীয়ে হয়তো কোন একটা নক্ষত্র এখন সে।
যোবায়ের এর মর্মান্তিক প্রস্থানের সাথে যারা জড়ীত তাদের প্রথমে বাচানোর আপ্রান চেস্টা করেন শরীফ এনিমেল কবির নামক জনৈক প্রধান শিক্ষক। কিন্তু ছাত্রছাত্রীদের প্রতিবাদের কাছে তার চেষ্টা বাধ ভাঙ্গা ঢেউ এর মত করে ভেসে যায়। সাথে যোগ হয় দানা বাধা ক্ষোভ।
এই প্রধান শিক্ষকের সময়টাতে যোগ হয় ক্যাম্পাসে গাছ কাটা, সাংস্কৃতিক সংগঠন বন্ধ, আর নিরাপত্তা কর্মকর্তার দ্বারা ছাত্রছাত্রীকে নির্যাতন এমন কি পুরাতন ছাত্রছাত্রীদের অপবাদ দিয়ে নির্যাতন। স্নগস্কৃতিক কর্মকান্ডেরসাথে যারা জড়িত তাদের কিঞ্চিত মারধর করে হাসপাতালে পাঠানো!
আজ যখন দুপুরে দেখলাম বিডি নিউজে প্রধানমন্ত্রির আশ্বাস মনে হলো আমি আবার টুং টাং শব্দ শুনলাম। খট খট খটাস শব্দের। শবটা কি তবে খুব শীঘ্রি বাক্সন্ধী করা যাবে!
এই শব্দটা কি তবে কফিনে পেরেক ঠুকার!
