December 03, 2018

আমার বাবা স্কুল শিক্ষক ছিলেন। তাঁর ছাত্রছাত্রীরা তাঁকে সম্মান করতো আবার ভয় পেত তাঁর রাগের কারণে। তাঁকে দেখতাম যেমন শাসন করতো তেমনি আদরও করতো। এখনো তাঁর ছাত্রছাত্রীদের দেখি তাঁকে দেখলে কেমন পাগলের মত ভাল বাসে।আমার পরিবারে অনেক শিক্ষক। গিন্নি নিজেও শিক্ষক হওয়ায় এখানকার সাথে আমার ছোট বেলার শিক্ষদের ব্যাবহার মেলাই। তখন দেখি আমার ছোট বেলায় পেয়েছিলাম শ্রেষ্ঠ কিছু মানুষকে শিক্ষক হিসেবে।

সকালে ঘুম ভাঙ্গার পর প্রথম যে কাজটা এখন করা হয় তা হলো মুঠোফোনে পৃথিবী ভ্রমণ। খবরের কাগজের সাইট গুলোতে ঘুরেবেড়ানো পুরনো অভ্যেস সাথে মুখবইয়েও চোখ বুলানো। আজ সকালে দেখতে গিয়ে থমকে গেছিলাম একটা খবরে। একটা আত্মহত্যার খবরে। যে বয়েসে স্বপ্ন দেখার কথা, যখন সে ভাববে কোথায় ঘুরে বেড়াবে বার্ষিক পরীক্ষার পর ঠিক সে সময় মেয়েটা গলায় ওড়না পেঁচিয়ে নিজের জীবন দিয়ে দেয়। কেন এমন হবে? কিছুদিন আগে একবার লিখেছিলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্রস্টেশন থেকে আত্মহত্যার কথা! কিন্তু এই মেয়েতো সেসব নিয়ে ভাবার বয়েসই হয়নি।

আর আমার শিক্ষকরা কেউ আমার সম্পর্কে কিছু কমপ্লেন আমাদের সামনে বসিয়ে করতেন না কখনোই। প্রতিটা শিক্ষকই একজন পিতা বা গার্ডিয়ান। আর তাঁর বাচ্চাদের শেখার অনেকাংশ কিন্তু তাঁর স্কুল থেকেই শেখে! তাই বলে আরেকজন গার্ডীয়ানকে কি করে অপমান করছেন আপনি? এর মাধ্যমে আমরা কি হত্যা করেছি মেয়েটাকে?
আমাদের মনে হয় শিক্ষাব্যাবস্থা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে এখন?

No comments:

নতুন ইউনিফর্ম, পুরোনো সমস্যা: বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর রং বদলের রহস্য

২০২৫ সালের শেষভাগে বাংলাদেশের পুলিশ, র্যাব ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা পেলেন এক নতুন চেহারা। দীর্ঘদিনের চেনা নীল-সবুজ পোশাক সরিয়ে তাঁদের গায়ে ...