কয়লাকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ভবিষ্যৎ জ্বালানী হিসেবে ভাবছি আমরা। যদিও আমরা নিউক্লিয়ার পাওয়ার এর অধিকারী হতে যাচ্ছি শীঘ্রই তথাপি এটি আমাদের মত জনবহুল দেশের জন্য কতদূর লাভ জনক তাও ভাবার সময় এখনো ফুরিয়ে যায় নাই। রামপাল, মহেশখালী, বাশখালী ছাড়াও বড়পুকুরিয়া বা নতুন হাতে নেয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পকল্প সমূহের জন্য লাগবে পর্যাপ্ত কাচা মাল। যা অস্ট্রেলিয়া/ভারত হতে আমদানির সম্ভাবনা রয়েছে। এমন কি তা চায়না হতেও হতে পারে। আমোদের যে ছয়টি কয়লার রিসার্ভ রয়েছে তা নিয়েও ভাবার সময় হয়েছে বলা যায়। বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে স্বল্পাকারে উত্তোলন হলেও অন্যান্য গুলো নিয়ে রয়েছে অনেক সমস্যা।
বড় পুকুরিয়া কয়লা খনির বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জায়গা নির্ধারন নিয়ে কিছু কথা রয়ে গেছে। আমরা পরিবহন খরচ বাঁচাতে কয়লা খনির পাশেই বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করি। আর এর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য ভূ-অভ্যন্তরীণ পানি ব্যবহার করছি। যার ঋনাত্বক প্রভাব দেখছে এখনি। ভু অভ্যন্তরীণ পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। অথচ বর্তমান স্থান থেকে মাত্র ৬ কিলো মিটার দূরত্বে নদী রয়েছে। আবার বর্তমানে ঠিক একই যায়গায় আমরা এর তৃতীয় ইউনিট এর নির্মান কাজ করছি।
এতে আরও পানি আমারা উত্তোলন করবো আর সাথে আমাদের ভূ-অভ্যন্তরের পানির পরিমাণ কমতে থাকবে। কারণ এতে একুইফার সিস্টেম ধ্বংস হবে। যা একে ওপরের সাথে নির্ভরশীল। কৃষি নির্ভর এই এলাকাটা জলশূন্য হয়ে যাবে। তাতে বিদ্যুৎ ছাড়া আম্যাদের আর খুব বেশি কিছু থাকবে না। তখন শুধু বিদ্যুৎ কি সেই জলের শূন্যতা পূরণ করতে পারবে?

2 comments:
ভালো লিখেছেন।
যমুনার তীরে যদি এই বিদ্যুতকেন্দ্র তৈরি করা হতো, তাহলে যমুনার পানি ব্যবহার করা যেত। আর একইসাথে যমুনাকে ব্যবহার করে দেশে অনান্য স্থানে কয়লা পরিবহণের একটা সুযোগ তৈরি হতো। যমুনাতে নাব্যতা কতটুরু রয়েছে সেটা অবশ্য অন্য প্রসঙ্গ। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নেয়াটা অবান্তর নয়।
কয়লা এবং আমাদের জ্বালানি সম্পদ নিয়ে আরও কিছু লেখা আশা করছি আপনার কাছ থেকে। চালিয়ে যান।
ধন্যবাদ শরীফ ভাই... আমি চেষ্টা করব এই লেখাটা শেষ করতে সাথে অন্য কিছু যোগ করতেও... আর আপনার আরও সাজেশান আশা করছি...
Post a Comment