ঢাকার কথা উঠলে অনেকেই বলেন নোংরা শহর।আমি একে জাদুর শহর বলেই জানি। হাজার মাইল দুরে থেকেও প্রতিদিন যে শহরকে অনভব করি।
আমার প্রথম চাকুরী ছিল একটা স্থাপত্য বিষয়ক প্রতিষ্ঠানে। আসাদগেটের কাছেই এর অফিস। প্রথম দিকটা ভালই ছিল। জুনের শেষে যখন শুরু হল বর্ষার দিন তখনি টের পেলাম হাড়ে এবং গোড়ে। একদিন দুপুরে বৃষ্টির জন্য অফিসে খিচুড়ি খেয়ে দেয়ে যখন সন্ধ্যায় ব্যের হতে যাব তখন ভুনা খিচুড়ির আমোদ অনেক দুরে পালিয়ে গেছে। তখন ভাবছি সাঁতার কাঁটা শুরু করব কিনা? আর তত দিনে যেহেতু শহুরে হয়ে গেছি সাঁতারটাও জানা আছে কিনা তাও ভুলেগেছি!! তার পরেও একিভাবে আমরা পার করেছি অনেকগুলো দিন। কারণ তার পরের চাকুরীটাও ছিল সেই ধানমণ্ডি ২৮ নাম্বারে। এখানেও একই অবস্থা।
আসলে ঢাকার জলের সাথে আমার যোগ ঢাকায় আসার পর থেকেই। ঢাকায় আসার পর থেকে দেখি এর শোচনীয় অবস্থা। তখন থাকা হত চামেলীবাগে। এমন অনেকদিন ছিল রিক্সার অপেক্ষা করে করে শেষে পা জোড়া চালিয়ে বাসায় ফিরেছি। এমনকি শান্তিনগর এলাকায় নৌকায় চড়ার অভিজ্ঞতাও হয়েছে। আগে শান্তিনগর বা ধানমণ্ডি ২৭ থেকে আসাদগেট পর্যন্ত পানি জমতে দেখা গেলে এখন প্রায় পুরো শহর পানি বন্ধী হতে খুব একটা সময় নেয় না... বৃষ্টির পানি নামার সব যায়গাগুলো আমরা বাড়ীর ভেতরে নিয়ে নিয়েছি। এই মেগাসিটির চার পাশের নদী গুলিকেও একি ভাবে দখল করেছি। তবে এমন হবে না তো এর চেয়ে ভাল কি করে আশা করবো?
আমরা কোন ময়লা ফেলার দরকার হলে ড্রেনে গিয়ে ফেলে আসি। সেটা কি ঐ ড্রেন বইতে পারবেকিনা তা ভাবি না। তার পর সরকারকে গালি দিতেও আমারা ছাড়ি না।
আজ প্রতিটি পত্রিকার পাতা বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেভাবে ভেসে গেছে তা দেখে দুঃখ বা কষ্টের সাথে হাসিও পেল । দেখলাম কিছুদিন পূর্বে নির্বাচিত দুজন নগরপিতাকে ধুয়ে এখন রোদে শুকানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু রোদের অপেক্ষাছাড়া কিছু করার নাই। সাথে সাথে দেখলাম কিছুলোক বিভিন্ন বুদ্ধি দিচ্ছেন। এসব লোকজন চাইলে অনেক কিছু কোরতে পারেন কিন্তু তা না করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই ঝড় তুলে যান। আরে ভাই আসেন না নিজেরা কিছু করে দেখাই! ময়লা গুলা ড্রেনে বা ম্যনহোলের ভিতর না ফেলে নির্দিষ্ট যায়গায় ফেলি! দেশটাতো আমাদেরই তাইনা!!!
আমার প্রথম চাকুরী ছিল একটা স্থাপত্য বিষয়ক প্রতিষ্ঠানে। আসাদগেটের কাছেই এর অফিস। প্রথম দিকটা ভালই ছিল। জুনের শেষে যখন শুরু হল বর্ষার দিন তখনি টের পেলাম হাড়ে এবং গোড়ে। একদিন দুপুরে বৃষ্টির জন্য অফিসে খিচুড়ি খেয়ে দেয়ে যখন সন্ধ্যায় ব্যের হতে যাব তখন ভুনা খিচুড়ির আমোদ অনেক দুরে পালিয়ে গেছে। তখন ভাবছি সাঁতার কাঁটা শুরু করব কিনা? আর তত দিনে যেহেতু শহুরে হয়ে গেছি সাঁতারটাও জানা আছে কিনা তাও ভুলেগেছি!! তার পরেও একিভাবে আমরা পার করেছি অনেকগুলো দিন। কারণ তার পরের চাকুরীটাও ছিল সেই ধানমণ্ডি ২৮ নাম্বারে। এখানেও একই অবস্থা।
আসলে ঢাকার জলের সাথে আমার যোগ ঢাকায় আসার পর থেকেই। ঢাকায় আসার পর থেকে দেখি এর শোচনীয় অবস্থা। তখন থাকা হত চামেলীবাগে। এমন অনেকদিন ছিল রিক্সার অপেক্ষা করে করে শেষে পা জোড়া চালিয়ে বাসায় ফিরেছি। এমনকি শান্তিনগর এলাকায় নৌকায় চড়ার অভিজ্ঞতাও হয়েছে। আগে শান্তিনগর বা ধানমণ্ডি ২৭ থেকে আসাদগেট পর্যন্ত পানি জমতে দেখা গেলে এখন প্রায় পুরো শহর পানি বন্ধী হতে খুব একটা সময় নেয় না... বৃষ্টির পানি নামার সব যায়গাগুলো আমরা বাড়ীর ভেতরে নিয়ে নিয়েছি। এই মেগাসিটির চার পাশের নদী গুলিকেও একি ভাবে দখল করেছি। তবে এমন হবে না তো এর চেয়ে ভাল কি করে আশা করবো?
ছবিঃ বিডিনিউস২৪ হতে সংগ্রহ করা।
আমরা কোন ময়লা ফেলার দরকার হলে ড্রেনে গিয়ে ফেলে আসি। সেটা কি ঐ ড্রেন বইতে পারবেকিনা তা ভাবি না। তার পর সরকারকে গালি দিতেও আমারা ছাড়ি না।
আজ প্রতিটি পত্রিকার পাতা বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেভাবে ভেসে গেছে তা দেখে দুঃখ বা কষ্টের সাথে হাসিও পেল । দেখলাম কিছুদিন পূর্বে নির্বাচিত দুজন নগরপিতাকে ধুয়ে এখন রোদে শুকানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু রোদের অপেক্ষাছাড়া কিছু করার নাই। সাথে সাথে দেখলাম কিছুলোক বিভিন্ন বুদ্ধি দিচ্ছেন। এসব লোকজন চাইলে অনেক কিছু কোরতে পারেন কিন্তু তা না করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই ঝড় তুলে যান। আরে ভাই আসেন না নিজেরা কিছু করে দেখাই! ময়লা গুলা ড্রেনে বা ম্যনহোলের ভিতর না ফেলে নির্দিষ্ট যায়গায় ফেলি! দেশটাতো আমাদেরই তাইনা!!!
No comments:
Post a Comment