February 15, 2015

তেলের দামে তেল দেয়া... ...

আগে বাংলা সিনেমার মাতুব্বরদের মাঝে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে যখন দ্বন্দ্ব দেখা দিত তখন বলতে শোনা যেত যে তুই ঐ কাজ কর যত টাকা লাগে তা আমার। ড্যেইলি স্টার প্রত্রিকার খবর দেখে আমার এটাই মনে পড়েগেল। ঠিক তেমন শুরু করলেন মনে হয় আমাদের বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এর লোকজন।  তাদের ক্রয় কমিটি অপরিশোধিত জ্বালানী তেল কিনছে বিশ্ববাজার অপেক্ষা দ্বিগুণের চেয়ে প্রায় ১০ মার্কিন ডলার বেশী দামে। 

বিশ্ববাজারে যেখানে অপরিশোধিত তেলের দাম কমে ৫০ মার্কিন ডলারের নিচে চলে এসেছিল তখন তাঁরা কি ঘুমাচ্ছিলেন, না সরকার কি মাল দরিয়া মে ঢাল প্রবাদ মানছেন। বিশ্ব জ্বালানী বাজারে মূল্য বিবেচনায় যেখানে গত ৬ বছরের মাঝে সবচাইতে কম মূল্যে যখন বিশ্ববাসী জ্বালানী কিনছি সেখানে এই সময়েও বিপিসি জ্বালানী মূল্য কমায় নাই, এতে যে কেউ ভাবতে পারেন তাঁরা সরকারের ভূর্তকী সমন্বয়ের ব্যবস্থা করছে। কিন্তু তাদের মূল্য সমন্বয় না করে মন্দার বাজারে সর্বোচ্চ মূল্যে কিনতে চাওয়াকে কি বলা যায়? দরপত্রের সময় বিশ্ববাজারে দাম ছিল ৮৬ আর আজ যখন এটা অনুমোদিত হয় তখন এর দাম ৫২ হতে ৫৬ ডলার। 

আমি অনেক সময় যাবত এর অর্থনৈতিক ব্যখ্যা খোজার চেষ্টা করলাম কিন্তু বাস্তব সম্মত কোন কিছু খুঁজে পেলাম না। হয়তবা আমার অর্থনীতি সম্পর্কে  অজ্ঞতাই এর কারন হবে। যদিও বিপিসির প্রধান নির্বাহীও কেন এই মূল্য সম্পর্কে কোন ব্যাখ্য দিতে পারেন নাই! 

আর আজকের ইউএস টুডে এর ও হিউস্টন ক্রনিক্যাল এর মতে গত দুই মাস যাবত অপরিশোধিত তেলের বাজারে চলতে থাকা মন্দার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে তেল উত্তলন ও নতুন অনুসন্ধানের কাজ। আর এর ফলাফল হিসেবে সামনে বেড়েযাবে অপরিশোধীত তেলের মূল্য যা পূর্বের মূল্যের অর্থাৎ ১২০ হতে ১৩০ এর উপর চলে যাবে। তখন এই তেল বাংলাদেশের সরকারের কেনা সম্ভব হলে বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে এর প্রভাব কি পড়বে তা কি বিপিসির কর্মকর্তারা ভেবে দেখেছেন?

বর্তমানের বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থবিরতার ফলে এমনিতেই সাধারণ জনসাধারণের মাঝে চাপা দীর্ঘশ্বাসের মত আটকে আছে আর এই উচ্চ মূল্যে ক্রয় করা তেলের দরুন যে মূল্যস্ফীতি হবে তা তে দীর্ঘশ্বাসটা দমবন্ধ করার অবস্থায় পৌঁছে দিবে।

Ref : http://www.thedailystar.net/govt-okays-oil-purchase-at-higher-than-global-prices-64357


February 11, 2015

নগর না দেবালয় ৫

বউ আমারে ফেসবুকে একটা ভিডিও শেয়ার করেছে। আমি লিঙ্কটা খুলে ভিডিও দেখা শুরুর সাথে সাথে শুরু হল তার কমেন্ট্রী। মাঝখান থেকে আমার ভিডিও বা বউ এর কথা কিছুই শোনা বা বোঝা হল না। 

দেশের অবস্থাও ঠিক এমন। সবাই বলছে। সবাই করছে। কিন্তু কোনটা শোনা দরকার তা কেউ ঠিক করতে পারছে না। কারন তারা (আম) জনতা। দেশটার মালিক তাঁরাই। কিন্তু সেটা মনে পড়ে প্রতি ৫ বছর পর পর। কারন তাঁরা ভোটের মালিক। আর ভোট দেয়ার পর পাঁচ বছরের জন্য মালিককে শীতনিদ্রায় পাঠানো হয়। মাঝে মাঝে হঠাত যখন আবার দরকার হয় তাকে ডেকে তোলা হয়, পুড়ে মরার জন্য বা ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের বাহিরে দেহে আরও এক বা একাধিক ছিদ্র উপহার দেয়ার জন্য। 

সমস্যা তবু সমাধান হয় না। তখনো খেলা চলতে থাকে, তাকে ভাগা ভাগি করার জন্য। ছোটবেলায় খেলতে যাওয়া ছোটছেলেটির ভাগ্যে যেই দুধভাত পদটি জোটে তাও পায় না তাঁরা। তবে দু দলের মাঝে সে পড়েই থাকে। তাকে টেনে  তুলার জন্য কেউ এগিয়ে আসে না। যেই এগিয়ে আসার কথা সেও আসতে আসতে কোন এক শিবিরে ঢুকে পড়ে, যে তকমাই লাগানো থাক তার গায়ে। সুশীল বা অন্য কিছু! 




February 02, 2015

নগর না দেবালয় ৪

এই করেছো ভাল নিঠুর হে 
এই করেছো ভাল
এমনি করে হৃদয়ে মোর 
তীব্র দহন জ্বাল... ... 


একটা বৃহৎ জনগোষ্ঠী। গুটি কতক চালাক লোকের পাল্লায় পড়ে ধ্বংসের মুখে। দেশের প্রধান দুটি টিমের হয়ে খেলে এই চালাক লোক গুলো। ইচ্ছে হলে কাবাব আবার কেউবা শিকার ধরে। কিন্তু সেই জনগোষ্ঠীর কপালের লেখন আর পরিবর্তিত হয় না। আবার মাঝে মাঝে দেশটা দান ও হয়ে যায়। কিন্তু মালিক যারা তাদের পোঁছে কজন। তবে কাবাবের চেহারাটা খারাপ হয় না। পরিমাণটাও নেহাতি কম না। তাতেও মন ভরেনা তাদের। হাড্ডি থাকলে কি কাবাবের মজা আছে?

শিকারির হাতের বন্দুকটাও মাঝে মাঝে ভুলে যায় কে তার মালিক। বা কার টাকায় কেনা। সে শুধু শিকার চেনে। কিন্তু শিকার হিসেবে যে মাঝে মাঝে মালিককেই ধরাশায়ী করেফেলে তা সে চেনে না। চিনবে কি করে? সে তো জানতে বা শুনতে পায় না কার টাকায় তাকে কেনা হয়েছে বা কেন এসেছে শিকারির হাতে!

পোড়াতে যে পেট্রোল লাগছে তা কেনার পেছনেও যে পুড়েযাওয়া মানুষটার অবদান আছে সেটা সে জানতে পারেনা। শুধু সে একটা সংখ্যা হিসেবে স্থান পায় পত্রিকার পাতায়।  আর তাকে নিয়ে কিঞ্চিত কান্না চলে। দু শিবিরেই দাবী উঠে সে তাদের। এমন কি তখন সে নিজের মালিকানাটাও দাবী করতে পারেনা। পুড়ে যাওয়া মাংসের আস্বাদ নিতে চায় সবাই।

কিন্তু সংখ্যাটা বেড়েই চলে। প্রতিদিন...  সকাল, সন্ধ্যা, রাত... সময় মানে না। পোড়া মাংসের আস্বাদ একবার পেলে তার কি অন্যকিছু ভাল লাগে? আমরা চালাক হবার চেষ্টা করি। আমারা সেই বড় জনগোষ্ঠী  নিজেরাই নিজেদের ঐ দলগুলির তাঁবেদারিতে লাগাই। 
এমনি করে হৃদয়ে মোর 
তীব্র দহন জ্বাল... ...





January 25, 2015

নগর না দেবালয় ৩

আজ একটি স্বাধীন দেশের বালককে কবর দিতে হবে পরিচয় হীন। সে আজ লাশ। প্রতিহিংসা বললে শব্দটিকে অপমান করা হয়। কিন্তু গলফ খেলা তখনো চলে। কারণ গলফ এর প্রতীতি বলের সাথে দেশের বিভিন্ন বড় বড় লেনদেন জড়িত। প্রতীটি কৃষক তখনো তার উৎপাদিত ফসল গো খাদ্যবানাবেন কিনা তা হিসেব করছেন আর খুঁজছেন সামনের ফড়িয়ার কিস্তি কিভাবে দিবেন।

তখনো আমাদের টাকায় কেনা পেট্রোল ব্যবহৃত হয় আমাদের জ্বালাতে। আর কফির পেয়ালাটা আবার ভরে উঠে। গল্পটা জমে উঠে সাথে সাথে। কিন্তু তাঁরা কেউ দেখতে পান না প্রতীটি কাঁপে একটু পোড়া চামড়া বা তলানিতে একটু চর্বি লেগেথাকে। যা একটু পর তার পেটে যাবে। না দেখতে না দেখতে তা পাকস্থলীতেও চলে যায়। তবু হুশ ফেরে না। গল্পটা চলতেই থাকে।


সাধারণ মানুষ একদিন দুদিন বাসায় থাকে। তাঁরা রাজনীতি বোঝে না। তাঁরা পেট বোঝে। তাদের দিন ফুরুলেই কয়েকটি পেটে দেয়ার নুন আর চাল কিনতে হয়। আর কিনতে গিয়ে হতে হয় জ্বলন্ত লাশ। সেটি কাবাব হিসেবে চলেযায় সুশীলদের পাতে। কিন্তু তবু তাঁরা পদলেহন চালিয়ে যেতে থাকেন। বিশ্ববিদ্যালয়র সর্বচ্চ ডিগ্রিধারী তিনি কিভাবে লেহন করেন একটা দালালের পা। তিনি কি করে ওদের পেছনে জি হুজুর বা অন্যকে দোষারোপ করেযান?

যাত্রাবাড়ী বা মিরপুরের লাশগুলো তখন একত্রিত হতে থাকে। ঢাকা মেডিকেলের মরচুয়ারীতে। তাঁরা ভাবে মিছিল করবে নাকি? কিন্তু সেখানে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা তাঁরা। লাশগুলো তখনো মিছিলের আগে ভাবে চালগুলো সিদ্ধ হল কিন্তু বাড়ির লোকগুলোকে কে পৌঁছে দেবে? আর এ ভাবতে ভাবতে তাঁরাও সিদ্ধান্তে আস্তে পারে না। আর তখনি তাঁরা নাম হারিয়ে সংখ্যায় পরিণত হয়। 

January 18, 2015

নগর না দেবালয় ২



আবার সেই কফির কাপের গল্পে আসি। তারা এখনো সবাই কফির কাপে ঝড় তুলেই যাচ্ছেন। কেউ বা সুশীল সেজে সামাজিক মিডিয়ায় স্ট্যাটাস ভারী করছেন। আবার কেউবা কাউকে উস্কানি মূলক বক্তব্য দিচ্ছেন। তাতে কি লাভ হচ্ছে? যদি লাভ হতো তবে রতন মিয়াঁর চিৎকার আপনার কানে বাজত "ভাই আগায় আসেন ভাই, আগুন নিভান ভাই, কিস্তিতে কেনা ট্রাক, কষ্টে কেনা ট্রাক ভাই, এই ট্রাক পুড়ে গেলে পথে বসতে হবে ভাই"। এটাই বাস্তবতা। বলবেন হয়তো কেন রতন মিয়া বের হচ্ছে রাস্তায় ট্রাক নিয়ে! আপনি বা আমার মত দল্ভক্ত ভানকারীরা বলতেই পারি এসব। লোকটার পেট বা তার পরিবারের সদস্যদের পেটতো সব শুনবে না!


গতকাল কিছু শিক্ষিত (কাগজে কলমে) লোকের সাথে একবেলা আহারের সুযোগ হয়েছে। এখানে দেখলাম তারা এই পুড়িয়ে মারা আন্দোলনকে খুব সমর্থন দিচ্ছেন। বসে শুনছিলাম, অনেকসময় যাবত। কিন্তু শেষপর্যন্ত নিজেকে সামলাতে পারিনি। জিজ্ঞাসা ছিল আপনি ক্ষমতায় যাবার জন্য আম জনতা পুড়াচ্ছেন কেন? আপনার পরিবারের কেউ কি আজ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে? তারা কিছু বললেন না বা একজন আরেকজনের মুখচাওয়াচাওয়ি করছিলেন। আর আমায় সরকারপক্ষ বানিয়ে তুলোধুনোর চেষ্টাও করলেন। একজন শিক্ষিত লোক কি করে এই বর্বরতাকে সমর্থন করেন?


আজ দেখলাম পুলিশের গাড়িতে পেট্রোলবোমায় আমার এলাকার এক কনস্টেবল মারাগেছেন। আমরা একই গ্রামের নই কিন্তু একই ইউনিয়নের। দেখে আমার সকাল থেকে মন খারাপ লাগল। কনস্টেবলের উর্দিটা খুললেই তো সে আর পুলিশ না। সে আমার আপনার মত মানুষ।

আজ দেখলাম একজন তার লেখায় লিখেছেন "দেশকে স্বাধীন করছেন তাঁরা। এই আন্দোলন স্বাধীনতার আন্দোলন।" কিন্তু কার কাছ থেকে? তাদের সাথে আছে স্বাধীনতা বিরুদ্ধ শক্তি। আর তাদের দিয়েই তাঁরা দেশ স্বাধীন করছেন! আমাদের এই দুষ্ট রাজনৈতিক দেবতাদের কবলথেকে মুক্তিপাব আমরা কবে?

January 14, 2015

নগর না দেবালয়?

অনেক দিনের পুরাতন অভ্যাস। পত্রিকায়  চোখ বুলানো। আগে পত্রিকা হাতে নিয়ে প্রথমে খেলার খবরে চোখবুলানো। এখন দেশের বাহিরে আসার পর অন্তত একটা ভাল খবর খুঁজি। বেশীরভাগ দিন কিছু পাই না। সব সময় হতাশার খবর পাই। এসব কিছুই আমাদের গা সওয়া হয়ে গেছে। একদিকে কক্টেল ফুটছে অন্যদিকে আমরা ফুটবল খেলছি। ব্যপারটা আসলে ফুটবল না, শব্দটা হবে গলফ। যারা কিছু করলে দেশের পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটতে পারে তারা অবসর সময়টা গলফ খেলে কাটানোয় ব্যস্ত থাকেন। আমার শুরু করটা দেখে অনেকেই হয়তো খেপে উঠতে পারেন। 


আজ পত্রিকায় যে খবরটি দেখে আরও একটু হতাশ হলাম তা হচ্ছে বাসে পেট্রল বোমায় ৪ জন পুড়ে মারা গেছেন। তার মাঝে শিশুও আছে। অনেকেই এটা দেখে হয়তো বলবেন "নগর পুড়লে কি দেবালয় রক্ষা পায়?" সমস্যা হচ্ছে ঠিকই নগর পুড়ছে কিন্তু তা পুড়ছে আমজনতার। যারা আলু সেদ্ধ খাওয়ার তারা চুপচাপ ঘরে বসে ঠিকই তা খাচ্ছেন। সবচাইতে বড় সমস্যা হল রাজনীতির  রাজারা তাদের নিয়েই ব্যাস্ত। আর আমাদের আবেগ নিয়ে খেলছেন তারা। কোনকোনদিন তারা ভান করেন ত্রাতার। কিন্তু আসলে কি তারা? 

এভাবে আর কত পুড়বে জীবন এমন ভাবে? 

January 07, 2015

গ তে গনতন্ত্র...



বাংলাদেশ মানচিত্রের আকারে খুব ছোট। কিন্তু অনেক তুলনার আকারেই বড় বা দিন দিন বাড়ছে। এর বেশিরভাগ ব্যক্তিগত প্রচেষ্টার সফলতা।  কিন্তু তার সাথে পাল্লাদিয়ে বাড়ছে আমাদের গণতন্ত্রের আকার। যেখানে গন শব্দটার উপস্থিতি প্রায় নেই বলোলেই চলে। প্রতিটি দিন শুরু হয় অন্যের গোত্র উদ্ধারের মাধ্যমে। প্রধান দল গুলীর কেউ এখনো দেশের কোন কিছুতেই একমত হয়ে সহাবস্থান করার মত মানসিকতায় পৌঁছাতে পারেন নি। 

সংসদ ভিত্তিক সরকার চালু হল প্রায় ২৪ বছর হয়েগেলো। অথচ কার্যকারিতা বলতে যা বোঝায় তার লক্ষণ দেখ যায় নি। ৪ টি পুর্নাঙ্গ সংসদের কোনটিতেই আমরা দেখিনি সরকারদল ও বিরোধী দলীয় সাংসদগন কে একসাথে বসতে। সবাই সাংসদ পদবী টিকিয়ে রাখার জন্যই শুধু মাত্র সংসদে আসতেন। এর মাঝে ৩ মাসের অতিথি সরকার দারা নির্বাচন নিয়ে হাঙ্গামা কম হয়নি। আমাদের গনতন্ত্রের বয়েস হিসেব করলে এখনো শিশু। তাকে বাড়তে না দিয়ে আমরা তিলে তিলে মারার পর্যায়ে নিচ্ছি। প্রধান বিরোধী দলে যিনি থাকুন না কেন তিনি সংসদে কথা বলার চাইতে বাহিরে বলতেই স্বচ্ছন্দবোধ করেন। সকল কিছুতেই জুজু বুড়ির ভয় দেখাতেও কেউ কম যান না। কিন্তু জুজু বুড়ির ভাল দিকটায় কেউ তাকান না।  

তাছাড়া ৪৩ বছর পর এখনো দেশে রাজনীতির ধারা নির্ধারনে ভূমিকা রাখে স্বাধীনতা বিরদ্ধবাদী শক্তি। আর তাদের সাথে জড়িয়ে একটা অংশ ইতিহাসকে কলুষিত করছেন। যারা স্বাধীনতার সাথে জড়িত তাদের ৪৩ বছর পর এসে কেউ বা বিভিন্ন বিশেষণে ভূষিত করছেন এবং তাতে নিজেরাই বিতর্কিত হচ্ছেন। দুঃখের বিষয় হল তার এই অ-গবেশনার সাথে যারা তাল মেলাচ্ছেন তারাও ইতিহাসকে বিকৃত করা ছাড়া তেমন কিছুই করছেন না। আমরা কিভাবে বাংলাদেশের ব্যপারে করতে পারি??? 






March 07, 2014

রাত ঘুম/নির্ঘুম

ছবি দুটি মাসাচুচেটস অঙ্গ রাজ্যের মল্ডেন শহরের গ্রানাডা হাইট থেকে তোলা। দিনে এই বারান্দা থেকে  আমেরিকার পুরাতন বোস্টন শহরের ও অন্যান্য শহরতলীর দ্বিতল বাসভবন গুলো ছাড়া আটলান্টিকের নীল জলরাশির সাথে সুর্যের মিলন দেখি। আমার খুব প্রিয় একটা যায়গা। এই বারান্দা থেকেই স্নো-পড়া দেখে এই নবীশ মন চমকে উঠেছিল প্রথম। 


১।



2

February 18, 2014

দিমিত্রি...


দিমিত্রি, আলবেনিয়ায় জন্ম।  বেড়েও উঠেছেন সেখানে।  এখন বসতি গড়েছেন আমেরিকার নিউ ইয়র্ক  এ দেশে আছেন তাও বিশ বছর হতে চলল। আজ ভালবাসার দিনে ফুল কিনেছেন তার দীর্ঘদিনের সঙ্গিনীর জন্য তাদের বিবাহিত জীবনের বয়স ২২ বছর যাবত




December 31, 2013

Boston downtown

  





আমার বন্ধু, বড় ভাই আহমেদ শরীফ ( Ideas r bulet proof) আমায় সব সময় অনুপ্রেরণা যোগান কিছু একটা লেখার জন্য। যখন ছবি তোলা ছেড়ে দেই সেখানে বাগড়া যোগান শরীফ ভাই। আজ অনেক দিন পর এই ব্লগে কিছু পোষ্ট করার পেছনেও তার অনুপ্রেরণা কাজ করেছে। 

May 18, 2013

MADE IN BANGLADESH


১।
 শুক্রবার নামাযের পর এক ফুফাত বোনের বিয়েতে গেলাম। সেখানেই মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠাল এক বন্ধু "১৭ দিন পর একজন নারী কর্মী উদ্ধার সাভার রানা প্লাজার ২য় তলা থেকে। খুশি লাগল। যাক আর একজন তো বেচে যাওয়াদের তালিকায় ফিরলেন। তিনি কোন নাম্বারের না হয়ে নামের হয়ে এলেন। কিন্তু দিন শেষ না হতে দেখলাম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যামে ঝড় উঠেছে। কারো কারো সাধুবাদ বা কারো সমালোচনায়। তবে বেশীরভাগ মনে হয় শুকরিয়া আদায় করেছেন। 

কারো কারো কথা রেশমা এতোদিন পর জীবিত তবুও ওর কাপড় নতুন কেন? কারো প্রশ্ন তারে দেইক্ষা এরকম ফ্রেশ লাগতাছে কেন? আরো কত কি!!!

রেশমা নিজেই তার উত্তর দিয়েছে। সে যেখানে পড়েছে সেখানে খাবার দাবার কিছু কিছু পেয়েছে । শেষ দুদিন কিছু খেতে পায় নি। ফায়ার সার্ভীসের দেয়া চুইয়ে পড়া পানি সে খেয়েছে। এবার আসি কাপড়চোপড়ের কথায়। সেখানে অনেক কর্মীর কাপড় তাদের বের করতে গিয়ে নষ্ট হয়ে গিয়েছে তাই বলে আমাদের উদ্ধারকর্মীরা তো তাদের সেভাবে সবার সামনে আসতে দেন নাই। যারা সমালোচনা করেছেন বা করছেন তাদের কাছে জিজ্ঞাসা আপনাদের মূল জিজ্ঞাসা আসলে কি??  আর বার বার বলতে ইচ্ছে হয় "হায় বোন রেশমা। কেন তুই বেচে উঠলি। আমাদের সুযোগ দিলি রাজনীতির?"

এখানে কেউ রাজনৈতিক পরিচয়ে যান নাই উদ্ধার করতে। হেফাজত ইসলামি ছাড়া, কারন তারাই একমাত্র মাথায় পরচয় সূচক বেধে কাজ করেছেন। তবে কেন তাদের আমরা  মিথ্যা অপবাদ দেবকেন? 

২। 
আমরা অনেকেই গার্মেন্টস কারখানায় হওয়া বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করি কিন্তু কতজন জানি আমরা এর ভেতরের কথা? আমরা হয়তো অনেকেই বেতন ভাতা বা অন্যান্য জিনিস নিয়ে সুখি না। আমাদের এখানে তাজরিন বা ফ্যান্টম যেমন আছে তেমনি স্কয়ার বা বেক্সীমকো, অনন্ত বা দুলাল ব্রাদার্স এর মত কারখানা রয়েছে যেখানে ডর্মেটরী থেকে শুরুকরে সব শুবিধা রয়েছে।  তাদের জন্য এই অভাজনের অনুরোধ আপনারা জানুন। তারপর কথা বলুন। আমাদের না জেনে কথা বলা থেকে বা আমাদের ভুল তথ্যের সু্যোগ নিয়ে আমদের "MADE IN BANGLADESH" ব্র্যান্ডটি রক্তাক্ত হচ্ছে।  আর তার ফল হিসেবে ১৫ থেকে ২০ মিলিয়ন লোকের বেকার হয়ে যাওয়া যা আমদের অর্থনীতি ও সরকারের জন্য এটা হবে খুব খারাপ সংকেত। কারন জিডিপিতে তাদের অংশ গ্রহনও খুব একটা কম নয় কিন্তু। 

আমরা কি পারি না আমাদের হারানো সুনাম ফেরত আনতে। আমরা রাজনৈতিক ভাবে চিন্তা করি সব কিছু। বিরোধী জোট ক্ষমতায় আসলেও একই অর্থনীতির পিঠে সওয়ারী হতে হবে। তাই কেন বিরোধীতা? সরকার সমর্থক বা বিরোধীজোট  সমর্থক সবার ই উচিত  মিলে মিশে এক্ষেত্রে কাজ করা ও বাংলাদেশ ব্র্যান্ডের জন্য কাজ করা। আপনার প্রোফাইল ছবি থেকে আজই বাদ দিন না সেই রক্তাক্ত ছবি! বাংলাদেশের পোশাকের দাম রক্ত দিয়ে নয় হোক মূল্যায়ন সঠিক মুজুরীর বিনিময় মূল্যে। তবেই কানাডার কোন দোকান তাদের দরজায় সাইনবোর্ড ঝুলানোর মত সাহস পাবে না যে " এখানে বাংলাদেশের তৈরী কাপড় নেই"।

কারন আমরা মানসম্মত পোষাক তৈরী করি।

ব্যাবহৃত ছবিঃ  ইন্টারনেট হইতে সংগৃহীত



নতুন ইউনিফর্ম, পুরোনো সমস্যা: বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর রং বদলের রহস্য

২০২৫ সালের শেষভাগে বাংলাদেশের পুলিশ, র্যাব ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা পেলেন এক নতুন চেহারা। দীর্ঘদিনের চেনা নীল-সবুজ পোশাক সরিয়ে তাঁদের গায়ে ...