আজ বারীষ নেমেছে বড্ড। ক্যাম্পাস ছাড়ার পর খুব একটা আনন্দ লাগেনা বৃষ্টি মহাশয়াকে দেখতে। বৃষ্টি মানে ক্লাসে যাবনা। সারাদিন শুয়ে বই পড়বো। আর পাশের শব্দযন্ত্রে বাজবে গান। বহুদিন এমন হয়না। শহুরে বৃষ্টিতে মজার চাইতে ভওগান্তি বেশি। তা ঢাকা হউক আর মার্কিনীদের আধুনিক শহর। সব একই। তবে কিছুটা পার্থক্য মনে হয় আছে।
প্রথম আসার পর ম্যাসাচুসেট্সএ একবার খুব ইচ্ছে হলো ভিজি! বৃষ্টির মাঝে নামার পরই মনে হলো এই আমাদের প্রিয়তমা বৃষ্টি নয়। এ যেন বরফের কুচি ছিটাচ্ছে। কি ঠান্ডারে বাবা। পরে আর সেই চেস্টা করিনি! কিন্তু টেক্সাসের বৃষ্টিতে কয়েকবার ভিজেছি আর তা কান্ট্রিসাইডে। আহা... মনে করিয়ে দেয় বাংলাদেশকে।
আমার পড়ালেখা যে বিশ্ববিদ্যালয়েতা আসলেই প্রকৃতির রোমান্টিকতায় ভরপুর। আওনি কাঠখোট্টাহলেও ক্যাম্পাসে গেলে আমুল বদলাবেন। প্রকৃতির সান্নিধ্যে এলে কে না বদলায়। একবার ব্যাংকের কাজ আর পড়ালেখা মিলিয়ে দীর্ঘ ৩ মাস যেতে পারিনি। মনে হয়েছিল হাজার বছর যাইনি।
যাই হউক শুরু করেছিলাম এক উদ্দেশ্যে বার বার বিচ্যুতি ঘটছে। ক্যাম্পাসে থাকার সময় আমার রুমে প্রচুর বই ছিল আর রুমমেটো ছিল পড়ুয়া(টেক্সট নয় কিন্তু)। তাই দুজনে এখনো কথা হলে জাবর কাটি সেসব দিনের। সেই অভ্যেস গুলো হারিয়ে গেছে। কিছুটা জুকারবার্গের কল্যানেই বলতে হয়। ছয় মাস হলো ৫ টা বই এসেছে দেশ থেকে। পড়া শেষ হয়েছে মাত্র ১ টা। আরো দুইটা আসছে!
এদিকে ঠান্ডা নেমেছে যে ফিল্ডে বসে খিচুড়ি আর ইলিশ কই পাই...দুধের স্বাদ ঘোল(কফি) দিয়ে ঠান্ডা দূর করতে গেলাম তাও এমন কফি পেলাম হাতের কাছে যা কুইনাইনের মতই গিলছি ;(
No comments:
Post a Comment