March 07, 2012

ও নদীরে তুই যাস কোথা রে ৪


কালিগঙ্গাকে হারিয়ে যেতে দেখছি গত কবছর যাবত। ২০১৩ সালে হয়তো এসময় গিয়ে কিছু স্থানে পুকুর সদৃশ কিছু গর্ত পানিধারন করে আছে তাও দেখতে পাবনা। গত বছর এখানে ক্ষীন ধারা দেখেছি। 
কালিগঙ্গার উপর নির্ভরশীল প্রচুর পেশাজীবী পরিবর্তন করেছে পেশা। এখন এখানে নতুন পেশাজীবীর আগমন ঘটেছে। আগের জেলে, মাঝী এখন নেই। কারন পানির উপর তাদের জীবিকা নির্ভর করতো। আজ পানি নেই, তাই তারা পরিবর্তন করেছে পেশা। পেশা রিফিউজি এর দলে যোগ দিয়েছে আরো কিছু মানুষ। 


 যাযাবর জাতি এখন আর পানিতে নৌকায় নাগিয়ে নদীর বালুচরের বাসা বেধেছে।

এখন আর পালতোলা সওদাগরি নৌকা দেখা যায়না। সওদাগররাও পাল্টেফেলেছেন নিজেদের। এখন ভটভটি চালিয়ে পরিবেশ দুষন ঘটিয়ে তবেই সওদা ফেরী করেন। যেখানে পানি আছে তাতেও ভটভটির দৌরাত্ত। নৌকায় শ্যালো ইঞ্জিন লাগিয়ে নিচ্ছেন তারা। কিন্তু কালিগঙ্গায় আর নাও চলার প্রশ্ন ওঠেনা। কারন আজ কালিগঙ্গা বালির নদী। এখানে এখন ট্রাক আর লরির দৌরাত্ত। তার সারাদিন কাজে ব্যাস্ত। নদীর ওপর যে বালীর স্তর পড়েছে তা নিয়ে ব্যাবসা আজ রমরমা। কিন্তু আমরা কি ভেবে দেখেছি আজ আমাদের কি নেই?


 দুরে মরিচিকার মত পানির দেখা।
মা এখন আর ঘাটে দাড়ান না আচল মুখে! মেয়ে তার নাইয়র আসবে বলে! মেয়ে এখন বরের ইঞ্জিন চালিত দ্বিচক্রযানে চড়ে আসে। এই আসাটা সহজ হয়েগেছে আজ। তবু আমাদের কি যেন নেই?


 এখন সেতুর প্রয়জনীয়তা ফুরিয়েছে বলা যায় কি??
বর্ষার বৃষ্টিভেজা দাপাদাপি আর নেই। ছোট্টবেলা পেরিয়ে আমরা আজ বড় হয়েছি। গড়েছি যান্ত্রিক সমাজ। যোগাযোগ ব্যাবস্থা আজ উন্নত।  কিন্তু আমরা কি যেন হারিয়েছি!!
 এখন নদী

 এখন নদী
আজ আমার বাড়ির উঠোনের গাছগুলো সবুজ পাতা ছাড়ছে কিন্তু তাতে বালির প্রলেপ। বা পাশের ইটের ভাটার ছাই এর কাল প্রলেপ। আমি আজ নাগরিক। তবু আমারা কি যেন হারিয়েছি!!!


তবুও কি বলব যে আমরা সচেতন হয়েছি??

February 16, 2012

ও নদীরে তুই যাস কোথারে ৩

২০০৭ সালে আমার মাষ্টার্স এর একটা কোর্স এর মাঠ কর্ম করতে যাই ইছাপুর এলাকায়। মাঝে কবছর ইছাপুর ব্রীজ পার হয়ে আর যাওয়া হয় নাই। কিন্তু ২০১১ এ গিয়ে দেখি এলাকাটা পুরোটাই পাল্টেগেছে। খিলক্ষেত থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরে একসময় বালু নদীর শাখা এবং কিছু খাল আর ডুমনী বিল ছিল। আজ তা আমরা দেখি হাউজিং কোম্পানির বিজ্ঞাপনে। ঢাকা হতে মাত্র ৫ মিনিটের পথ বা নতুন ঢাকা পুর্বাচল আর ঢাকার মাঝে এমন বিজ্ঞাপনী ভাষা। কিন্তু  আমাদের জন্য ভাল কিছু তৈরি হচ্ছে কি আদৌ?

 ছবিঃ দূরে বসুন্ধরা আবাসিক এর Exclusive শহর। 


ছবিঃ বসুন্ধরা আবাসিক এর ভরাট করা যায়গা যা আগে খাল ছিল। 



আমি অনেকদিন যাবত যাই এই এলাকায়। ছাত্রথাকা কালীন গিয়ছি মাঠকর্মের জন্য। তা ছাড়া এদিক দিয়ে রুপগঞ্জ যাওয়া সহজ হওয়ায় এপথ নিয়েছি বিভিন্ন সময়। তাছাড়া নেশার(ছবিতোলা) টানেও গেছি বহুবার। দেখেছি এর পরিবর্তন। বর্ষায় গেলে দেখতাম দুকুল ছাপিয়ে পানি আর নৌ্কায় জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য, শীতকালে সবজির চাষাবাদ । কিন্তু আজ গেলে দেখা যায় ধুধু বালিচর।




আমার পরিচিত এক সময়ের কৃষক পরিবারের সদস্য সুখচান্দ। এখন পুরো দস্তুর দর্জি। তার জমিনের কিছু অংশ এখন বসুন্ধরা আবাসিক। কিছু পিঙ্ক সিটি জেনোভ্যালী। আর কিছুটা পড়েছে সানভ্যালী নামক আবাসন এলাকায়। বাধ্য হয়ে বিক্রি করেছেন বাপদাদার সুত্রে পাওয়া এই সব জমি। সুখচান্দ কী সুখে আছেন? সেদিন দেখা হলে জিজ্ঞাসা ছিল তার কাছে। কিছু সম বাহিরে তাকিয়ে থেকে উত্তর দিলেন আজ আর নিজের ক্ষেতের ধানের চাল খেতে পাইনা। মাছ ও কিনে খাওয়া লাগে। জমিন বেচে টাকা পাইসি কিন্তু শান্তি ত হারায়ে গেছে!এখন ভেজাল ছাড়া খাইতে পারিনা। টাটকা শবজী নাই। মাছ নাই বিলে। বিল ই তো নাই। এক নিঃশাসে কথা শেষ করলেন।





February 10, 2012

ও নদীরে তুই যাস কোথা রে-২



বসিলা ও চর ওয়াশপুর কে ভাগ করেছে বুড়িগঙ্গা। বেশিদিন হয়নাই এখানে একটা সেতু নির্মিত হয়েছে। আর সেতুর সাথে সাথে কিছু লোকের ভাগ্য খুলেছে। কিছু লোক জীবিকা হারিয়েছে। কেউবা হারিয়েছে বাড়ী ঘর। কারন উন্নয়নের বলিতো কাউকে না কাউকে হতেই হবে!!!

এখন গেলে আপনি দেখবেন না গুদারা ঘাটে গুদারা বা ইঞ্জিন নৌকা আপনার জন্য অপেক্ষারত। আপনি হুডখোলা কিছু তিনচাকার বেবীট্যাক্সী পাবেন যা ঢাকা হতে বিতাড়িত হয়েছিল পরিবেশের মুক্তির জন্য।



  ছবি-১ বালিভরাট হচ্ছে ড্রেজিং পাইপের লিকেজ দিয়ে। 



আর দেখবেন আশেপাশে অসংখ ড্রেজার বালি ভরাট করছে। ঢাকাকে বড় করতে ব্যাস্ত কিছু লোক। আর আপনি যেকোন খালি জমির কাছ দিয়ে যেতে গেলেই শুনবেন হয়তো একটা প্রশ্ন কি ভাই জমি কিনবেন নাকি???
বসিলা বা চরওয়াশপুর এর অনেক পরিবারের জীবিকা ছিল এই নদী নির্ভর। কিন্তু আজ আর তা নেই। নদীই নাই হতে বসেছে। জীবিকা থাকবে কোথা হতে। বর্ষার সময় ছাড়া আপনি গেলে দূষিত পানির গন্ধে গা গুলিয়ে আসবে। 
 ছবি-২ বালি ভরাট হয়ে জেগে ওঠা কৃত্রিম চর।

এই ড্রেজারে বালিভরাটের সময় সুন্দরভাবে নদী ভরাট হচ্ছে কিন্তু আপনি দেখলে ভাবতে পারেন তারা সামান্য ভুল করে নদিতে কিছু বালি ফেলছে। ছোট একটা লিকেজ থেকে নদির ৩ আর ৪ নং পিলারের মাঝে প্রায় ভরাট হয়ে গেছে যা চর পড়েছে বলে ভুল হলেও হতে পারে।

 আসলে কি তা???

February 05, 2012

ও নদীরে তুই যাস কোথা রে...

এটা আমাদের অনেকের প্রিয় একটা গান। নকীব খানের গাওয়া।  আমাদের নদীমাতৃক দেশ এই প্রিয় হয়ে উঠার পেছনে কারন। কিন্তু অদুর ভবিষ্যতে নদী কি আসলে থাকবে এই দেশে???

ঢাকা রাজধানী হয় ৪০০ বছর আগে তার পেছনেও কারন ছিল এই নদী। ঢাকার চারপাশে বুড়িগঙ্গা, বালু, তুরাগ। কিন্তু আজ ঢাকার চারপাশের নদী নাই বললেই হয়। তুরাগ ধুকছে। বালু হারিয়ে গেছে। আর বুড়িগঙ্গাতো আমাদের বর্জের বোঝা বহন করতে করতে ক্লান্ত।
  ছবি  ফেব্রুয়ারী৪ ২০১২ তারিখ তোলা
 ছবি-  ফেব্রুয়ারী৪ ২০১২ তারিখ তোলা

রায়েরবাজার স্মৃতিসৌধের পেছনে তুরাগের একটা শাখাছিল। যেখানে গত বছর এসময়ে পানি এবং নৌকা চলতে দেখেছি আজ সেটা আবাসন এর গ্রাসে পরিনত হয়েছে। ঠিক একবছর পর গিয়ে দেখলাম সেখানে পানি ই নেই। নৌকা চলবে কিভাবে?? 
  ছবি-জানুয়ারি২৭, ২০১১ তারিখ তোলা


ঠিক একবছর পর আবার আমরা কি দেখব??? 




January 12, 2012

জাবিঃ অগোছালো কিছু কথা

২০০০ সালের এপ্রিল মাসে ক্লাস শুরু করার পর জাবি আমার সত্ত্বার অংশ হয়ে যায়। তারপর দেখতে দেখতে প্রায় ৮ বছর ৮ মাস শেষে শিক্ষাজীবন শেষ করি। তাইবলে জাবি যাওয়া আমার কমেনি। এখনো যখন ডেইরী গেটে বাসথেকে নামার পর মনে হয় নিজ বাড়িতে ফিরলাম।

আমাদের বর্তমান উপাচার্য দায়িত্ত্ব গ্রহনের পর নিরাপত্ত্বা কর্মকর্তার দায়িত্ত্ব দেন প্রাক্তন ক্যাডার এর হাতে।  ক্যাম্পাসে যখনই যাই তখন শুনি বর্তমান ছাত্র ছাত্রিদের লাঞ্চিত হওয়ার কথা। কথায় কথায় থ্রেট করা। শারিরিক ভাব নাজেহাল করা। তার পর থেকে মনে হয় এ বাড়ি আর আমাদের নাই। ক্যাম্পাসের রাস্তায় পুরান ছাত্ররা নিরাপদ নয়। তাদের অত্যাচারের বহু রেকর্ড করেছে বর্তমান প্রশাষন।

সেই ল্যাম্পপোষ্টের নিচে আড্ডা বা মুক্তমঞ্চের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কথা খুব একটা শোনা যায় না। শিক্ষায়তনের মাঝে জাবির যে আবহ ছিল তা হারিয়ে গেছে। সাংস্কৃতিক রাজধানী আজ মৃত। সংগঠন সমূহ এখন স্বাধীন ভাবে কাজের সুযোগ পায় না।

২০১০ সালে চারতলার ছাদ থেকে ফেলে দেয়া ছাত্ররা এখনো সুস্থ হয়নি। তবে হতাশার কথা কিনা জানি না তারা বিচারও পায় নি। আজ যখন আবার দেখি আমার বাড়ীর সেই পিচঢালা রাস্তার রঙ পাল্টেফেলেছে কিছু শকুন তখন কষ্ট হওয়া ছাড়া কিছু করার থাকেনা। ক্যাম্পাসে শিক্ষক নামক কিছু পশু যখন তাদের হয়ে কথা বলেন তখন মনে হয় আমার বাড়ি দুর্বৃত্ত কর্তৃক দখল হওয়া।
আজ সেই লাশ নিয়েই যখন শিক্ষকরা রাজনীতীর তীর ছুড়েন তখন কি করা উচিত??? এই শিক্ষক নাকি পিতার সমান! তবে তার এক সন্তানকে চারতলা থেকে ফেলদেয়ার বিচার কেন করেন না?? তার ছেলের রক্তে কেন পিচঢালা পথের রঙ পাল্টাবে?? তারা তা নিয়েও কেন রাজনিতি করছেন??? আমি জানি না কেউ এই প্রশ্নের উত্তর দিবেন কিনা?

এতদিন জানতাম কাক কাকের মাংশ খায় না। কিন্ত যখন পত্রিকায় দেখি ক্যাম্পাসের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ত্বে থাকা শিক্ষক আরেক শিক্ষকের গায়ে হাত তুলে। তখন মনে হয় প্রবাদটা ভুল ছিল।

November 21, 2011

একটু জলের জন্যে...




বেড়ী বাঁধ, রায়ের বাজার, ঢাকা, বাংলাদেশ

June 27, 2011

Vehicle

From 2000, Bangladesh turned into new era. Actually that would be Dhaka & Chittagong. The city corporation boycotted the 2 stroke vehicle which vastly used for long since. They pouted Dhaka and the other city's & after banned from the city they got the chance to pollute the countryside and the non urbanized area. We could see that the vehicle some times don't go with the roof even. they always extract sulfer & carbons and other which the engine cant purify. But no authority came forward to make our lives without pollution...




Would the day come Ever???


May 28, 2011

শেষ জলাধার... ...

ঢাকার ৪০০ বছর পুর্ন হলো বেশীদিন হয়নি। মাত্র ৪০০ বছর আগে ঢাকার বেশীর ভাগ এলাকা ছিল বন। আর এর চার পাশ ছিল নদী বিধৌত। এর মধ্য দিয়েও চলে গেছিল ৫০ বা ততোধিক খাল। আজ তার কিছুই অবশিষ্ট নাই। আমাদের  সোন্দর্যের হানী হয় বলে আমরা খাল গুলি ভরাট করে ফেলেছি, বন ধংস করেছি, নদী গুলোর অবস্থাও যাচ্ছে তাই। কিছু কিছু নদীও হারীয়ে গেছে...




এই নদী হারানোর মিছিলে যোগ হলত।বুড়িগঙ্গার শাখাগুলোর একটি। আমাদের ইতিহাস এর সবচাইতে কলঙ্কময় দিন গুলির একটি ১৪ ডিসেম্বর। আর এদিন আমাদের বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করাহয় রায়ের বাজার বধ্যবুমিতে। সেই ইটের ভাটার ঠিক পেছনে যেই নদীটি ছিল তাই আজ প্রায় মৃত। এখন কেউদেখলে বলবে না এখানে একদিন নদী ছিল। আমাদের আগ্রাসনে আজ তা খালে পরিনত হয়েছে।

যদিও যায়গাটার বেশির ভাগ মালিকান বাংলাদেশ সরকারের গনপুর্ত বিষয়ক শাখার। কিন্তু তাদের কোনরুপ তদারকি নেই এক্ষেত্রে।  FAP ও DAP অনুসারে এখানে কোন স্থাপনা হওয়ার কথা না থাকলেও কে শোনে কার কথা। এখন মসজিদ কমপ্লেক্স, হাউজিং এর নামদিয়ে দখল করা হচ্ছে প্রতিদিন। এখানে বুদ্ধিজীবী স্মরনে তৈরি সৌধের দেয়াল ব্যাভার করা হয়েছে মসজীদের দান বাক্সের জন্য কিন্তু সেখানে থাকা প্রহরী বা কর্তা ব্যাক্তি কারোই কোন টনক নড়ছে না।




তবে কি এভাবেই শেষ হয়ে যাবে আমাদের জলাধার গুলি??? হারিয়ে যাবে!
প্রশ্নটি ঠিক কাকে করব জানি না তাই নিজেকেই প্রশ্ন করলাম।


May 23, 2011

নাম না জানা কবিতা...

পদ্মাকে বলা হতো স্রোতস্বীনি... মাছের দিক থেকেও এটির নাম আছে পৃথিবী জুড়ে। পদ্মার ইলিশের কদর ছিল সবার কাছে। এর নাকি স্বাদও আলাদা ছিল অন্য ইলিশের থেকে... কিন্তু ফারাক্কার প্রভাব তার কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছে সব... এখন গল্প শোনা যায় এখানে একদিন নদী ছিল...


এখন পদ্মায় গেলেই দেখা মেলে ধুধু চর... কোথাওবা নদীর বুক জুড়ে ফসলের মাঠ...তবে পানীর আভাব রয়ে যাচ্ছে... মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া ক্ষীন ধারা ছাড়া...


মরু করনের আর কত বাকী???

May 21, 2011

নাম না জানা কবিতা...

প্রমত্তা কালীগঙ্গা এখন আর প্রমত্তা নাই। তার পাড়ে তৈরি বাজার এখন আর জমে ওঠেনা আগের মতন... সওদাগরী নৌকার বদেলে এখন মাঝে মাঝে ভীড়ে ট্রাক বা বাস। নদীতে বালী ছাড়া পানী নেই। বুক চীরে তৈরিহওয়া পথে এখন ট্রাকের আধিপত্য।

আমাদের মরুতে পৌছেতে কত বাকী আর???

নতুন ইউনিফর্ম, পুরোনো সমস্যা: বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর রং বদলের রহস্য

২০২৫ সালের শেষভাগে বাংলাদেশের পুলিশ, র্যাব ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা পেলেন এক নতুন চেহারা। দীর্ঘদিনের চেনা নীল-সবুজ পোশাক সরিয়ে তাঁদের গায়ে ...