April 10, 2012

খাদ্য নিয়ে অখাদ্য ...

গতকাল সন্ধ্যায় খবর দেখতে গিয়ে দেখলাম র‍্যাব এর ম্যাজিষ্ট্রেট আনোয়ার পাশার সাক্ষাতকার পাশে কিছু মুরগি হাতে একজন লোক দাঁড়িয়ে। কিছু সময় পর শুনলাম লোকটি মড়া মুরগির ব্যাবসা করে। আর তার খদ্দের হচ্ছে ঢাকার নামকরা কিছু রেস্তোরা। ভালই মনে হচ্ছে শুনে! খারাপ কিছু নয়! সকল ধর্মেই আছে অপচয় কারি শয়তানের ভাই। তাই মরেছে তো কি হয়েছে? মানুষ তো জীবন্ত মুরগি খায় না!!! 

আমরা কি খাচ্ছি?? মরা মুরগি, চক পাউডার, কাপড়ের রঙ। নতুন নতুন আইটেম যোগ হচ্ছে খাবারে। মানুষ বাড়ছে সেই সাথে খাবারের যোগান ও তো বাড়াতে হবে! তাই আমরা সর্বভূক মানুষ সব কিছুকেই আহার্যের মাঝে নিয়ে আসছি। সামনে যে আরো কতো কি অপেক্ষা করছে তা একমাত্র স্রষ্টাই জানেন। 
 ছবিঃ মরা মুরগি সহ দোষী ব্যাক্তিগন ( ছবিঃ সংগৃহীত)
এই মর্তধামে মনে হয় আমরাই একমাত্র দেশ যারা খাবারেও ভেজাল মেশাই। আর এই ভেজাল মেশানোর শাস্তি সামান্য অর্থদন্ড আর কিছুদিন সশ্রম/বিনাশ্রম কারাদন্ড। কিন্তু এই শাস্তি কি আসলেই কোন কাজে আসছে?? এই ভেজাল মেশানো খাবার খাওয়ায় মানুষকে ভুগতে হচ্ছে বিভিন্ন ব্যাধিতে। ক্যান্সার, কিডনি নষ্টহয়ে যাওয়া, লিভার নষ্ট হয়ে যাওয়া আরো অনেক রকম ব্যাধিতে পড়তে হচ্ছে। 

গতকাল আরেকটা খবর দেখে আরেকটু অবাক হলাম। আইডিয়াল নামক এক কোম্পানী বিভিন্ন প্ন্য বাজার জাত করে BSTI এর অনুমতি ছাড়া। আর তার বেশিরভাগ তৈরি হয়েছিল চক পাউডার বা কাপড়ের রং দিয়ে। তার ব্যাবস্থাপক এর মাত্র এক মাসের হাজতবাস আর ২লাখটাকা জরিমানা হয়। সাথে মিনাবাজার, আগোরা আর স্বপ্ন তিনটি দোকানকে এক সাথে জরিমানা করা হয়েছে এসব ভেজাল বিক্রির দায়ে। এই তিন জনের স্লোগান অনুযায়ী তারা সবাই ফ্রেশ জিনিশ বিক্রির সাথে জড়িত। অনেকের মতে এখানে দাম একটু বেশি নেয় কারন তার ভাল জিনিষ বিক্রির সাথে জড়িত। তবে কোথায় নিরাপদ আপনি বা আমি?? আমার বা আপনার বিশ্বাস ভাঙ্গার জন্য কি তাদের আরো বেশি স্বাস্তি হওয়া উচিত নয় তাদের??

ভেজাল খাদ্য খাওয়ানো আর মানুষকে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া কি এক ধরনের হত্যা নয়? তবে এর শাস্তি কেন একবছর বা দুবছর এর জেল বা নামকাওয়াস্তে জরিমানা হবে? আর এর বিক্রির সাথে জড়িতদের শাস্তির পরিমান আরো বাড়ানো উচিত নয় কি?? 

 এই আইনটার বেপারে নতুন করে ভাবার সময় হয়নি কি??




March 30, 2012

এবং জল ২


ছোটবেলায় বহুসময় নিয়ে মুখস্ত/আত্মস্ত করেছি পানির অপর নাম জীবন। সেটা কালে কালে পরিবর্তিত রুপ নিয়ে এসেছে বিশুদ্ধপানির অপরনাম জীবন। ঢাকায় আমরা এর কোনটা পাই???

শুস্কমৌসুমে আজ শনির আখড়া কাল তেজকুনি পাড়া পরশু মিরপুর জুড়ে চলে অবরোধ, ভাংচুর। কিন্তু যার জন্য সেই ভাংচুর সেটা তাদের পাওয়া হয়ে উঠে না। পানির ঘাটতি থেকেই যায়। যার টাকা আছে সে ওয়াসার কাছ থেকে পানি কিনে দৈনন্দিন কিছু কাজ করতে পারেন কিন্তু পানযোগ্য করতে চালাতে হয় রিতিমত কসরত। গ্যাসের চুলায় সেদ্ধ তার পর আবার ফিল্টার করা তার পর পান করা। আমরা এই দরিদ্র দেশের নাগরিক হিসেবে সরাসরি কলথেকে সাপ্লাইকৃত পানি পান করার মত সৌভাগ্যবান কি ?


বাংলাদেশে ৫০০ মিলি দুধের দাম ২৫ টাকা আর ৫০০মিলি বোতলজাত পানির দাম ১৫ টাকা। ঠিক একবছর আগে এই পানির দাম ছিল ১০ টাকা। মুল্য বেড়েছে ৫ টাকা। গত কাল দেখলাম পানি বিলাস দ্রব্যের ঘরে পড়েছে। তাই এর উপর নবরূপে ২৫ ভাগ শুল্ক আরোপিত হবে। এই ভাগ যারা করছেন তারা কি আসলে বিলাস দ্রব্য চেনেন??

জীবন বাঁচাতে পানি কিনতেই হবে তবে জীবনটা কি একটু বেশী দামী হয়ে যাচ্ছে না??? নাকি বিলাসিতা ছাড়ার সাথে সাথে জীবনকেই ছেড়ে দেবেন!!!

March 10, 2012




ছবিটিআজই তোলা। রাপা প্লাজা সিগনাল থেকে। বহু সময় যাবত দাঁড়িয়ে দেখছিলাম কেন জ্যামএখানে। কিছু সময় পর খেয়াল করলাম দুটি পিকাপ ভ্যান দাঁড়ানো একটি মালামাল বোঝাই।অপরটি খালি। দাঁড়ানো ঠিক ২৭ নম্বর এর মুখে। অথছ এখানে গাড়ী দাঁড়ানো নিষিদ্ধ।




আর এইদুটি গাড়ীর কারনেই জ্যাম। কারন একজন ড্রাইভারের কাছে টাকা নেই আরেকজন টাকা দিতেচাইছেন কিন্তু মনঃপুত হচ্ছে না। অথছএদিকে জ্যাম বেধে মিরপুর রোড আর ২৭ দুদিকই বন্ধ। কিন্তু বিকার নেই তাদের কারো। শেষে একজনকে নিয়ে এক ট্রাফিক চলেগেলেন অন্য কোথাও।আরেকজনের বিরুদ্ধে কেস করলেন।

March 07, 2012

ও নদীরে তুই যাস কোথা রে ৪


কালিগঙ্গাকে হারিয়ে যেতে দেখছি গত কবছর যাবত। ২০১৩ সালে হয়তো এসময় গিয়ে কিছু স্থানে পুকুর সদৃশ কিছু গর্ত পানিধারন করে আছে তাও দেখতে পাবনা। গত বছর এখানে ক্ষীন ধারা দেখেছি। 
কালিগঙ্গার উপর নির্ভরশীল প্রচুর পেশাজীবী পরিবর্তন করেছে পেশা। এখন এখানে নতুন পেশাজীবীর আগমন ঘটেছে। আগের জেলে, মাঝী এখন নেই। কারন পানির উপর তাদের জীবিকা নির্ভর করতো। আজ পানি নেই, তাই তারা পরিবর্তন করেছে পেশা। পেশা রিফিউজি এর দলে যোগ দিয়েছে আরো কিছু মানুষ। 


 যাযাবর জাতি এখন আর পানিতে নৌকায় নাগিয়ে নদীর বালুচরের বাসা বেধেছে।

এখন আর পালতোলা সওদাগরি নৌকা দেখা যায়না। সওদাগররাও পাল্টেফেলেছেন নিজেদের। এখন ভটভটি চালিয়ে পরিবেশ দুষন ঘটিয়ে তবেই সওদা ফেরী করেন। যেখানে পানি আছে তাতেও ভটভটির দৌরাত্ত। নৌকায় শ্যালো ইঞ্জিন লাগিয়ে নিচ্ছেন তারা। কিন্তু কালিগঙ্গায় আর নাও চলার প্রশ্ন ওঠেনা। কারন আজ কালিগঙ্গা বালির নদী। এখানে এখন ট্রাক আর লরির দৌরাত্ত। তার সারাদিন কাজে ব্যাস্ত। নদীর ওপর যে বালীর স্তর পড়েছে তা নিয়ে ব্যাবসা আজ রমরমা। কিন্তু আমরা কি ভেবে দেখেছি আজ আমাদের কি নেই?


 দুরে মরিচিকার মত পানির দেখা।
মা এখন আর ঘাটে দাড়ান না আচল মুখে! মেয়ে তার নাইয়র আসবে বলে! মেয়ে এখন বরের ইঞ্জিন চালিত দ্বিচক্রযানে চড়ে আসে। এই আসাটা সহজ হয়েগেছে আজ। তবু আমাদের কি যেন নেই?


 এখন সেতুর প্রয়জনীয়তা ফুরিয়েছে বলা যায় কি??
বর্ষার বৃষ্টিভেজা দাপাদাপি আর নেই। ছোট্টবেলা পেরিয়ে আমরা আজ বড় হয়েছি। গড়েছি যান্ত্রিক সমাজ। যোগাযোগ ব্যাবস্থা আজ উন্নত।  কিন্তু আমরা কি যেন হারিয়েছি!!
 এখন নদী

 এখন নদী
আজ আমার বাড়ির উঠোনের গাছগুলো সবুজ পাতা ছাড়ছে কিন্তু তাতে বালির প্রলেপ। বা পাশের ইটের ভাটার ছাই এর কাল প্রলেপ। আমি আজ নাগরিক। তবু আমারা কি যেন হারিয়েছি!!!


তবুও কি বলব যে আমরা সচেতন হয়েছি??

February 16, 2012

ও নদীরে তুই যাস কোথারে ৩

২০০৭ সালে আমার মাষ্টার্স এর একটা কোর্স এর মাঠ কর্ম করতে যাই ইছাপুর এলাকায়। মাঝে কবছর ইছাপুর ব্রীজ পার হয়ে আর যাওয়া হয় নাই। কিন্তু ২০১১ এ গিয়ে দেখি এলাকাটা পুরোটাই পাল্টেগেছে। খিলক্ষেত থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরে একসময় বালু নদীর শাখা এবং কিছু খাল আর ডুমনী বিল ছিল। আজ তা আমরা দেখি হাউজিং কোম্পানির বিজ্ঞাপনে। ঢাকা হতে মাত্র ৫ মিনিটের পথ বা নতুন ঢাকা পুর্বাচল আর ঢাকার মাঝে এমন বিজ্ঞাপনী ভাষা। কিন্তু  আমাদের জন্য ভাল কিছু তৈরি হচ্ছে কি আদৌ?

 ছবিঃ দূরে বসুন্ধরা আবাসিক এর Exclusive শহর। 


ছবিঃ বসুন্ধরা আবাসিক এর ভরাট করা যায়গা যা আগে খাল ছিল। 



আমি অনেকদিন যাবত যাই এই এলাকায়। ছাত্রথাকা কালীন গিয়ছি মাঠকর্মের জন্য। তা ছাড়া এদিক দিয়ে রুপগঞ্জ যাওয়া সহজ হওয়ায় এপথ নিয়েছি বিভিন্ন সময়। তাছাড়া নেশার(ছবিতোলা) টানেও গেছি বহুবার। দেখেছি এর পরিবর্তন। বর্ষায় গেলে দেখতাম দুকুল ছাপিয়ে পানি আর নৌ্কায় জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য, শীতকালে সবজির চাষাবাদ । কিন্তু আজ গেলে দেখা যায় ধুধু বালিচর।




আমার পরিচিত এক সময়ের কৃষক পরিবারের সদস্য সুখচান্দ। এখন পুরো দস্তুর দর্জি। তার জমিনের কিছু অংশ এখন বসুন্ধরা আবাসিক। কিছু পিঙ্ক সিটি জেনোভ্যালী। আর কিছুটা পড়েছে সানভ্যালী নামক আবাসন এলাকায়। বাধ্য হয়ে বিক্রি করেছেন বাপদাদার সুত্রে পাওয়া এই সব জমি। সুখচান্দ কী সুখে আছেন? সেদিন দেখা হলে জিজ্ঞাসা ছিল তার কাছে। কিছু সম বাহিরে তাকিয়ে থেকে উত্তর দিলেন আজ আর নিজের ক্ষেতের ধানের চাল খেতে পাইনা। মাছ ও কিনে খাওয়া লাগে। জমিন বেচে টাকা পাইসি কিন্তু শান্তি ত হারায়ে গেছে!এখন ভেজাল ছাড়া খাইতে পারিনা। টাটকা শবজী নাই। মাছ নাই বিলে। বিল ই তো নাই। এক নিঃশাসে কথা শেষ করলেন।





February 10, 2012

ও নদীরে তুই যাস কোথা রে-২



বসিলা ও চর ওয়াশপুর কে ভাগ করেছে বুড়িগঙ্গা। বেশিদিন হয়নাই এখানে একটা সেতু নির্মিত হয়েছে। আর সেতুর সাথে সাথে কিছু লোকের ভাগ্য খুলেছে। কিছু লোক জীবিকা হারিয়েছে। কেউবা হারিয়েছে বাড়ী ঘর। কারন উন্নয়নের বলিতো কাউকে না কাউকে হতেই হবে!!!

এখন গেলে আপনি দেখবেন না গুদারা ঘাটে গুদারা বা ইঞ্জিন নৌকা আপনার জন্য অপেক্ষারত। আপনি হুডখোলা কিছু তিনচাকার বেবীট্যাক্সী পাবেন যা ঢাকা হতে বিতাড়িত হয়েছিল পরিবেশের মুক্তির জন্য।



  ছবি-১ বালিভরাট হচ্ছে ড্রেজিং পাইপের লিকেজ দিয়ে। 



আর দেখবেন আশেপাশে অসংখ ড্রেজার বালি ভরাট করছে। ঢাকাকে বড় করতে ব্যাস্ত কিছু লোক। আর আপনি যেকোন খালি জমির কাছ দিয়ে যেতে গেলেই শুনবেন হয়তো একটা প্রশ্ন কি ভাই জমি কিনবেন নাকি???
বসিলা বা চরওয়াশপুর এর অনেক পরিবারের জীবিকা ছিল এই নদী নির্ভর। কিন্তু আজ আর তা নেই। নদীই নাই হতে বসেছে। জীবিকা থাকবে কোথা হতে। বর্ষার সময় ছাড়া আপনি গেলে দূষিত পানির গন্ধে গা গুলিয়ে আসবে। 
 ছবি-২ বালি ভরাট হয়ে জেগে ওঠা কৃত্রিম চর।

এই ড্রেজারে বালিভরাটের সময় সুন্দরভাবে নদী ভরাট হচ্ছে কিন্তু আপনি দেখলে ভাবতে পারেন তারা সামান্য ভুল করে নদিতে কিছু বালি ফেলছে। ছোট একটা লিকেজ থেকে নদির ৩ আর ৪ নং পিলারের মাঝে প্রায় ভরাট হয়ে গেছে যা চর পড়েছে বলে ভুল হলেও হতে পারে।

 আসলে কি তা???

February 05, 2012

ও নদীরে তুই যাস কোথা রে...

এটা আমাদের অনেকের প্রিয় একটা গান। নকীব খানের গাওয়া।  আমাদের নদীমাতৃক দেশ এই প্রিয় হয়ে উঠার পেছনে কারন। কিন্তু অদুর ভবিষ্যতে নদী কি আসলে থাকবে এই দেশে???

ঢাকা রাজধানী হয় ৪০০ বছর আগে তার পেছনেও কারন ছিল এই নদী। ঢাকার চারপাশে বুড়িগঙ্গা, বালু, তুরাগ। কিন্তু আজ ঢাকার চারপাশের নদী নাই বললেই হয়। তুরাগ ধুকছে। বালু হারিয়ে গেছে। আর বুড়িগঙ্গাতো আমাদের বর্জের বোঝা বহন করতে করতে ক্লান্ত।
  ছবি  ফেব্রুয়ারী৪ ২০১২ তারিখ তোলা
 ছবি-  ফেব্রুয়ারী৪ ২০১২ তারিখ তোলা

রায়েরবাজার স্মৃতিসৌধের পেছনে তুরাগের একটা শাখাছিল। যেখানে গত বছর এসময়ে পানি এবং নৌকা চলতে দেখেছি আজ সেটা আবাসন এর গ্রাসে পরিনত হয়েছে। ঠিক একবছর পর গিয়ে দেখলাম সেখানে পানি ই নেই। নৌকা চলবে কিভাবে?? 
  ছবি-জানুয়ারি২৭, ২০১১ তারিখ তোলা


ঠিক একবছর পর আবার আমরা কি দেখব??? 




January 12, 2012

জাবিঃ অগোছালো কিছু কথা

২০০০ সালের এপ্রিল মাসে ক্লাস শুরু করার পর জাবি আমার সত্ত্বার অংশ হয়ে যায়। তারপর দেখতে দেখতে প্রায় ৮ বছর ৮ মাস শেষে শিক্ষাজীবন শেষ করি। তাইবলে জাবি যাওয়া আমার কমেনি। এখনো যখন ডেইরী গেটে বাসথেকে নামার পর মনে হয় নিজ বাড়িতে ফিরলাম।

আমাদের বর্তমান উপাচার্য দায়িত্ত্ব গ্রহনের পর নিরাপত্ত্বা কর্মকর্তার দায়িত্ত্ব দেন প্রাক্তন ক্যাডার এর হাতে।  ক্যাম্পাসে যখনই যাই তখন শুনি বর্তমান ছাত্র ছাত্রিদের লাঞ্চিত হওয়ার কথা। কথায় কথায় থ্রেট করা। শারিরিক ভাব নাজেহাল করা। তার পর থেকে মনে হয় এ বাড়ি আর আমাদের নাই। ক্যাম্পাসের রাস্তায় পুরান ছাত্ররা নিরাপদ নয়। তাদের অত্যাচারের বহু রেকর্ড করেছে বর্তমান প্রশাষন।

সেই ল্যাম্পপোষ্টের নিচে আড্ডা বা মুক্তমঞ্চের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কথা খুব একটা শোনা যায় না। শিক্ষায়তনের মাঝে জাবির যে আবহ ছিল তা হারিয়ে গেছে। সাংস্কৃতিক রাজধানী আজ মৃত। সংগঠন সমূহ এখন স্বাধীন ভাবে কাজের সুযোগ পায় না।

২০১০ সালে চারতলার ছাদ থেকে ফেলে দেয়া ছাত্ররা এখনো সুস্থ হয়নি। তবে হতাশার কথা কিনা জানি না তারা বিচারও পায় নি। আজ যখন আবার দেখি আমার বাড়ীর সেই পিচঢালা রাস্তার রঙ পাল্টেফেলেছে কিছু শকুন তখন কষ্ট হওয়া ছাড়া কিছু করার থাকেনা। ক্যাম্পাসে শিক্ষক নামক কিছু পশু যখন তাদের হয়ে কথা বলেন তখন মনে হয় আমার বাড়ি দুর্বৃত্ত কর্তৃক দখল হওয়া।
আজ সেই লাশ নিয়েই যখন শিক্ষকরা রাজনীতীর তীর ছুড়েন তখন কি করা উচিত??? এই শিক্ষক নাকি পিতার সমান! তবে তার এক সন্তানকে চারতলা থেকে ফেলদেয়ার বিচার কেন করেন না?? তার ছেলের রক্তে কেন পিচঢালা পথের রঙ পাল্টাবে?? তারা তা নিয়েও কেন রাজনিতি করছেন??? আমি জানি না কেউ এই প্রশ্নের উত্তর দিবেন কিনা?

এতদিন জানতাম কাক কাকের মাংশ খায় না। কিন্ত যখন পত্রিকায় দেখি ক্যাম্পাসের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ত্বে থাকা শিক্ষক আরেক শিক্ষকের গায়ে হাত তুলে। তখন মনে হয় প্রবাদটা ভুল ছিল।

November 21, 2011

একটু জলের জন্যে...




বেড়ী বাঁধ, রায়ের বাজার, ঢাকা, বাংলাদেশ

June 27, 2011

Vehicle

From 2000, Bangladesh turned into new era. Actually that would be Dhaka & Chittagong. The city corporation boycotted the 2 stroke vehicle which vastly used for long since. They pouted Dhaka and the other city's & after banned from the city they got the chance to pollute the countryside and the non urbanized area. We could see that the vehicle some times don't go with the roof even. they always extract sulfer & carbons and other which the engine cant purify. But no authority came forward to make our lives without pollution...




Would the day come Ever???


নতুন ইউনিফর্ম, পুরোনো সমস্যা: বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর রং বদলের রহস্য

২০২৫ সালের শেষভাগে বাংলাদেশের পুলিশ, র্যাব ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা পেলেন এক নতুন চেহারা। দীর্ঘদিনের চেনা নীল-সবুজ পোশাক সরিয়ে তাঁদের গায়ে ...